নাগরপুরে প্রতিবন্ধী নারী ধর্ষিত, থানায় মামলা

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে এক বুদ্ধিপ্রতিবন্ধীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী এক যুবকের বিরুদ্ধে। শুক্রবার বিকেলে উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের কাজীর পাচুরিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ধর্ষিতা নারী ওই গ্রামের আবুল হাসেমের মেয়ে। এ ঘটনায় প্রতিবন্ধীর মা বাদী হয়ে ওই রাতেই নাগরপুর থানায় একটি মামলা করেন।প্রত্যক্ষদর্শী, পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের কাজীর-পাচুরিয়া গ্রামের হাশেম আলীর বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কন্যা (২৯) কে সাথে নিয়ে তার মা শুক্রবার বিকেলে বাড়ির পাশে ধানের খোলায় কাজ করতে যান। প্রতিবন্ধী মেয়েটি খোলা থেকে ধান নিয়ে বাড়ি যায়। তার ফিরতে দেরি হওয়ায় মা রোজিনা বেগম খুঁজতে বাড়ির দিকে রওনা দেন। এ সময় তিনি বাড়ির পাশে জমির আইলে প্রতিবেশী সাজ্জাদের ছেলে মো. শাকিবকে (২২) তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করতে দেখেন। পরে ধর্ষক ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত পালিয়ে যায়।ধর্ষিতার মা ও মামলার বাদী রোজিনা বেগম জানান, অভিযুক্ত শাকিব তার প্রতিবেশী মামাতো ভাই। "আমার মেয়ে একজন বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। শুক্রবার বিকেলে আমার ভাই ওহাব খানের ধানের খোলায় আমি ও আমার মেয়ে কাজ করছিলাম। পরে আমার মেয়ে খোলা থেকে ধান নিয়ে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়।

নাগরপুরে প্রতিবন্ধী নারী ধর্ষিত, থানায় মামলা

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে এক বুদ্ধিপ্রতিবন্ধীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী এক যুবকের বিরুদ্ধে। শুক্রবার বিকেলে উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের কাজীর পাচুরিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ধর্ষিতা নারী ওই গ্রামের আবুল হাসেমের মেয়ে। এ ঘটনায় প্রতিবন্ধীর মা বাদী হয়ে ওই রাতেই নাগরপুর থানায় একটি মামলা করেন।

প্রত্যক্ষদর্শী, পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের কাজীর-পাচুরিয়া গ্রামের হাশেম আলীর বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কন্যা (২৯) কে সাথে নিয়ে তার মা শুক্রবার বিকেলে বাড়ির পাশে ধানের খোলায় কাজ করতে যান। প্রতিবন্ধী মেয়েটি খোলা থেকে ধান নিয়ে বাড়ি যায়। তার ফিরতে দেরি হওয়ায় মা রোজিনা বেগম খুঁজতে বাড়ির দিকে রওনা দেন। এ সময় তিনি বাড়ির পাশে জমির আইলে প্রতিবেশী সাজ্জাদের ছেলে মো. শাকিবকে (২২) তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করতে দেখেন। পরে ধর্ষক ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত পালিয়ে যায়।

ধর্ষিতার মা ও মামলার বাদী রোজিনা বেগম জানান, অভিযুক্ত শাকিব তার প্রতিবেশী মামাতো ভাই। "আমার মেয়ে একজন বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। শুক্রবার বিকেলে আমার ভাই ওহাব খানের ধানের খোলায় আমি ও আমার মেয়ে কাজ করছিলাম। পরে আমার মেয়ে খোলা থেকে ধান নিয়ে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়। পথিমধ্যে তাকে একা পেয়ে অভিযুক্ত শাকিব তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।"

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও নাগরপুর থানার উপ-পরিদর্শক মো. নাজমুল ইসলাম জানান, ধর্ষিতার ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে ও অন্য আইনি প্রক্রিয়া চলমান। এ ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ধর্ষণকারী পলাতক রয়েছে। তবে তাকে গ্রেপ্তারের জোর চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মুরাদ হোসেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow