নাটোরে ছেলের কোলে ভর করে ভোটকেন্দ্রে ৭০ বছরের বৃদ্ধ

ছেলের কোলে চড়ে ভোট দিতে কেন্দ্রে এসেছেন পা হারোনো ৭০ বছরের বৃদ্ধ জনাব আলী। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে নাটোর সদর উপজেলার হালসা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিতে আসেন তিনি। জনাব আলী নাটোর সদর উপজেলার হালসা ইউনিয়নের চিড়াখোলা গ্রামের মৃত নছের ফকিরের ছেলে। পরিবারে স্ত্রী, তিন ছেলেসহ নাতি-নাতনি রয়েছে। জানা যায়, ২০২৩ সালে যোহরের নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে এক দুর্ঘটনায় জনাব আলীর ডান পা অকেজো হয়ে যায়। এরপর নিজে চলাফেরার শক্তি হারিয়ে ফেলেন। তারপর থেকে অন্যের সাহায্যে চলতে হয় এ বৃদ্ধকে। বর্তমানে তিন ছেলের সঙ্গে তিনি থাকেন। জীবনে জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে কতবার ভোট দিয়েছেন, তা মনে নেই তার। বৃদ্ধ জনাব আলী বলেন, অনেক বছর পর ভোট দিতে আইছি, ভোট দিতে পেরে অনেক ভালো লাগছে। জীবনে কতবার ভোট দিছি, তা মনে নেই। তবে অনেক বার ভোট দিছি। আল্লাহ বাঁচিয়ে রাখলে সামনে আবার ভোট দেবো। স্ত্রীর হাত ধরে ভোট কেন্দ্রে আসলেন ৮৬ বছরের অসুস্থ বৃদ্ধ ছেলে শরীফুল ইসলাম ঢাকা মেইলকে বলেন, বাবা হাঁটতে পারেন না, কথাও ঠিক স্পষ্টভাবে বলতে পারেন না। আমাদের সাহায্যে চলতে হয় বাবার। ভোট দিতে খুব আগ্রহ প্রকাশ করেন। এরপর আমার কোলে চড়ে

নাটোরে ছেলের কোলে ভর করে ভোটকেন্দ্রে ৭০ বছরের বৃদ্ধ

ছেলের কোলে চড়ে ভোট দিতে কেন্দ্রে এসেছেন পা হারোনো ৭০ বছরের বৃদ্ধ জনাব আলী। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে নাটোর সদর উপজেলার হালসা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিতে আসেন তিনি।

জনাব আলী নাটোর সদর উপজেলার হালসা ইউনিয়নের চিড়াখোলা গ্রামের মৃত নছের ফকিরের ছেলে। পরিবারে স্ত্রী, তিন ছেলেসহ নাতি-নাতনি রয়েছে।

জানা যায়, ২০২৩ সালে যোহরের নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে এক দুর্ঘটনায় জনাব আলীর ডান পা অকেজো হয়ে যায়। এরপর নিজে চলাফেরার শক্তি হারিয়ে ফেলেন। তারপর থেকে অন্যের সাহায্যে চলতে হয় এ বৃদ্ধকে। বর্তমানে তিন ছেলের সঙ্গে তিনি থাকেন। জীবনে জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে কতবার ভোট দিয়েছেন, তা মনে নেই তার।

বৃদ্ধ জনাব আলী বলেন, অনেক বছর পর ভোট দিতে আইছি, ভোট দিতে পেরে অনেক ভালো লাগছে। জীবনে কতবার ভোট দিছি, তা মনে নেই। তবে অনেক বার ভোট দিছি। আল্লাহ বাঁচিয়ে রাখলে সামনে আবার ভোট দেবো।

স্ত্রীর হাত ধরে ভোট কেন্দ্রে আসলেন ৮৬ বছরের অসুস্থ বৃদ্ধ ছেলে শরীফুল ইসলাম ঢাকা মেইলকে বলেন, বাবা হাঁটতে পারেন না, কথাও ঠিক স্পষ্টভাবে বলতে পারেন না। আমাদের সাহায্যে চলতে হয় বাবার। ভোট দিতে খুব আগ্রহ প্রকাশ করেন। এরপর আমার কোলে চড়ে বাবা ভোট দিতে কেন্দ্রে আসেন। বাবা তার পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন। ভোট দিয়ে অনেক খুশি তিনি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow