নাটোরে ডিবি পুলিশের অভিযানে ভেজাল ঔষধ কারখানা উন্মোচন, গ্রেফতার ৩
নাটোরে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের বিশেষ অভিযানে ভেজাল ও অনুমোদনহীন ঔষধ তৈরির একটি চক্রের সন্ধান মিলেছে। এসময় ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং বিপুল পরিমাণ ভেজাল ঔষধ ও ঔষধ তৈরির মেশিনারিজ জব্দ করা হয়। রবিবার (১৯ জুলাই) দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে এ সংক্রান্ত প্রেস ব্রিফিং করেন পুলিশ সুপার শরিফুল হক। তিনি জানান, শনিবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে সদর থানাধীন লক্ষীপুর ইউনিয়নের পার আটঘরিয়া গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। তিনি আরো জানান, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে প্রধান অভিযুক্ত মোঃ খোকন মিয়া (২৮) দীর্ঘদিন ধরে ভেজাল ঔষধ তৈরি ও বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে খোকন মিয়া জানায়, প্রায় এক বছর ধরে সে এই অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করছে। ফেসবুকের “এসকে নিউট্রিশন” ও “অর্গানিক বায়ো কেয়ার সলিউশন” নামে দুটি পেজের মাধ্যমে প্রতিদিন ৫০–৬০ জন ক্রেতার কাছে অনলাইনে এসব ঔষধ বিক্রি করতো। প্রেস ব্রিফিং-এ পুলিশ সুপার আরও জানান, অভিযুক্তরা প্রায় ৪০ ধরনের যৌন উত্তেজকসহ বিভিন্ন রোগের জন্য অনুমোদনহীন ও ভেজাল ঔষধ তৈরি ও বাজারজাত করছিল। এসব বিক্রি করে বছরে প্রায়
নাটোরে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের বিশেষ অভিযানে ভেজাল ও অনুমোদনহীন ঔষধ তৈরির একটি চক্রের সন্ধান মিলেছে। এসময় ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং বিপুল পরিমাণ ভেজাল ঔষধ ও ঔষধ তৈরির মেশিনারিজ জব্দ করা হয়।
রবিবার (১৯ জুলাই) দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে এ সংক্রান্ত প্রেস ব্রিফিং করেন পুলিশ সুপার শরিফুল হক। তিনি জানান, শনিবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে সদর থানাধীন লক্ষীপুর ইউনিয়নের পার আটঘরিয়া গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। তিনি আরো জানান, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে প্রধান অভিযুক্ত মোঃ খোকন মিয়া (২৮) দীর্ঘদিন ধরে ভেজাল ঔষধ তৈরি ও বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে খোকন মিয়া জানায়, প্রায় এক বছর ধরে সে এই অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করছে। ফেসবুকের “এসকে নিউট্রিশন” ও “অর্গানিক বায়ো কেয়ার সলিউশন” নামে দুটি পেজের মাধ্যমে প্রতিদিন ৫০–৬০ জন ক্রেতার কাছে অনলাইনে এসব ঔষধ বিক্রি করতো।
প্রেস ব্রিফিং-এ পুলিশ সুপার আরও জানান, অভিযুক্তরা প্রায় ৪০ ধরনের যৌন উত্তেজকসহ বিভিন্ন রোগের জন্য অনুমোদনহীন ও ভেজাল ঔষধ তৈরি ও বাজারজাত করছিল। এসব বিক্রি করে বছরে প্রায় ৮০ থেকে ৯০ লাখ টাকা আয় করতো চক্রটি।
অভিযানে জব্দ করা ভেজাল ঔষধ ও মেশিনারিজের আনুমানিক মূল্য ১০ থেকে ১২ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত অন্যান্যরা হলেন মোঃ শরিফুল ইসলাম (২৮) এবং মোঃ তারিকুল ইসলাম (২৪)। তারা সবাই নাটোর সদর এলাকার বাসিন্দা।
What's Your Reaction?