নাতি হওয়ার খুশিতে ঘোড়ার গাড়ি নিয়ে নানার মিষ্টি বিতরণ

নিজের পুত্র সন্তান না থাকায় মেয়ের পুত্র সন্তান হওয়ার আনন্দে ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন মো. হান্নান। তিনি শিশুটির নানা। ঘটনাটি নাটোরের সিংড়া উপজেলার শেরকোল ইউনিয়নের জোরমল্লিকা গ্রামের। বুধবার (২৪ জুন) সকাল ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত চলে এ আনন্দ অনুষ্ঠান। মো. হান্নানের কোনো পুত্র সন্তান নাই। একটি মাত্র মেয়েকে বিয়ে দিয়েছে একই ইউনিয়নের শাহবাজপুর গ্রামে। মেয়ে পান্না খাতুন ও জামাই মনির হোসেনের একটি কন্যা সন্তান জন্মের দীর্ঘ ১২ বছর পর পুত্র সন্তান জন্ম নেয়। এতে আনন্দের শেষ নেই নানা হান্নানের। ৭ মাস বয়সি নাতি আব্দুর রহমান বিন মুসালিনকে ঘোড়ার গাড়িতে চড়িয়ে নিজ গ্রাম থেকে জামাইয়ের গ্রাম পর্যন্ত নাচ-গানের মাধ্যমে ৩ হাজার পিস মিষ্টি বিতরণ করেন। এতে গ্রামবাসীরা বলেন, একটি ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পেরে আনন্দিত তারা। শিশুর মা মোছা. পান্না খাতুন বলেন, ‘আমার মেয়ে সন্তান জন্ম নেওয়ার ১২ বছর পর পুত্র সন্তান জন্ম নিয়েছে। সেই আনন্দে আমার বাবা ঘোড়ার গাড়িতে গ্রাম ঘুরিয়ে ও মিষ্টি বিতরণ করে উৎসব করছে। আপনারা সবাই আমার ছেলে-মেয়ে ও আমার বাবার জন্য দোয়া করবেন।’ শিশুর নানা মো. হান্নান বলেন, ‘আমার কোনো

নাতি হওয়ার খুশিতে ঘোড়ার গাড়ি নিয়ে নানার মিষ্টি বিতরণ

নিজের পুত্র সন্তান না থাকায় মেয়ের পুত্র সন্তান হওয়ার আনন্দে ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন মো. হান্নান। তিনি শিশুটির নানা। ঘটনাটি নাটোরের সিংড়া উপজেলার শেরকোল ইউনিয়নের জোরমল্লিকা গ্রামের।

বুধবার (২৪ জুন) সকাল ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত চলে এ আনন্দ অনুষ্ঠান। মো. হান্নানের কোনো পুত্র সন্তান নাই। একটি মাত্র মেয়েকে বিয়ে দিয়েছে একই ইউনিয়নের শাহবাজপুর গ্রামে।

মেয়ে পান্না খাতুন ও জামাই মনির হোসেনের একটি কন্যা সন্তান জন্মের দীর্ঘ ১২ বছর পর পুত্র সন্তান জন্ম নেয়। এতে আনন্দের শেষ নেই নানা হান্নানের।

৭ মাস বয়সি নাতি আব্দুর রহমান বিন মুসালিনকে ঘোড়ার গাড়িতে চড়িয়ে নিজ গ্রাম থেকে জামাইয়ের গ্রাম পর্যন্ত নাচ-গানের মাধ্যমে ৩ হাজার পিস মিষ্টি বিতরণ করেন।

এতে গ্রামবাসীরা বলেন, একটি ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পেরে আনন্দিত তারা।

শিশুর মা মোছা. পান্না খাতুন বলেন, ‘আমার মেয়ে সন্তান জন্ম নেওয়ার ১২ বছর পর পুত্র সন্তান জন্ম নিয়েছে। সেই আনন্দে আমার বাবা ঘোড়ার গাড়িতে গ্রাম ঘুরিয়ে ও মিষ্টি বিতরণ করে উৎসব করছে। আপনারা সবাই আমার ছেলে-মেয়ে ও আমার বাবার জন্য দোয়া করবেন।’

শিশুর নানা মো. হান্নান বলেন, ‘আমার কোনো পুত্র সন্তান নাই। মহান আল্লাহ্ তায়ালা আমাকে একটি নাতি উপহার দিয়ে আমার মনের আশা পূরণ করেছেন। সেজন্য স্বজন ও গ্রামবাসীদের নিয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করছি।’

রেজাউল করিম রেজা/এএইচ/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow