নানি-নাতির আলোচিত প্রেম, এলাকাজুড়ে তোলপাড়!

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ পৌরসভার বাবরা গ্রামের আলোচিত ‘নানি-নাতি’ জুটি আবারও শিরোনামে। প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া এই জুটি পালানোর সময় স্থানীয়দের হাতে আটক হয় এবং পরে জনতার উদ্যোগে তাদের বিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কালীগঞ্জ উপজেলার সানবান্দা গ্রামের ২১ বছর বয়সী মেহেদী হাসান এবং পৌর এলাকার বাবরা গ্রামের ৩৫ বছর বয়সী তাসলির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সম্পর্ক চলছিল। তারা দুঃসম্পর্কের নানি-নাতি হলেও নিকট আত্মীয় নন। এর আগেও গত বছরের জুলাই মাসে তারা পালিয়ে গেলে ১০ দিন পর পুলিশ কুষ্টিয়া থেকে তাদের উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে এবং সতর্ক করা হয়। শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেলে কোটচাঁদপুরের বলুহার প্রজেক্ট এলাকায় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করার সময় স্থানীয়দের নজরে আসেন তারা। পরে এলাকাবাসী তাদের আটক করে। খবর ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে ভিড় জমে এবং বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। স্থানীয়দের মতে, ঘটনাটি সামাজিকভাবে সংবেদনশীল হওয়ায় এর একটি স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন ছিল। এ অবস্থায় তাসলির স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি তাকে গ্রহণে অস্বীকৃতি জানান। পরে স্থানীয়রা উভয়ের সম্মতি নিয়ে

নানি-নাতির আলোচিত প্রেম, এলাকাজুড়ে তোলপাড়!

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ পৌরসভার বাবরা গ্রামের আলোচিত ‘নানি-নাতি’ জুটি আবারও শিরোনামে। প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া এই জুটি পালানোর সময় স্থানীয়দের হাতে আটক হয় এবং পরে জনতার উদ্যোগে তাদের বিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কালীগঞ্জ উপজেলার সানবান্দা গ্রামের ২১ বছর বয়সী মেহেদী হাসান এবং পৌর এলাকার বাবরা গ্রামের ৩৫ বছর বয়সী তাসলির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সম্পর্ক চলছিল। তারা দুঃসম্পর্কের নানি-নাতি হলেও নিকট আত্মীয় নন। এর আগেও গত বছরের জুলাই মাসে তারা পালিয়ে গেলে ১০ দিন পর পুলিশ কুষ্টিয়া থেকে তাদের উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে এবং সতর্ক করা হয়।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেলে কোটচাঁদপুরের বলুহার প্রজেক্ট এলাকায় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করার সময় স্থানীয়দের নজরে আসেন তারা। পরে এলাকাবাসী তাদের আটক করে। খবর ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে ভিড় জমে এবং বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।

স্থানীয়দের মতে, ঘটনাটি সামাজিকভাবে সংবেদনশীল হওয়ায় এর একটি স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন ছিল। এ অবস্থায় তাসলির স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি তাকে গ্রহণে অস্বীকৃতি জানান। পরে স্থানীয়রা উভয়ের সম্মতি নিয়ে তাদের বিয়ে সম্পন্ন করে।

কালীগঞ্জ থানার কর্মকর্তা মো. জেল্লাল হোসেন জানান, এ বিষয়ে থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে ঘটনা সম্পর্কে অবগত হয়েছেন বলে জানান।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow