নামের মিলে বাদলের কারাবাস : স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মুক্তির আবেদন

নামের মিলের কারণে দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে কারাগারে থাকা বাদল ফরাজীর মুক্তির দাবিতে সরকারের উচ্চপর্যায়ে আবেদন জানিয়েছেন তার বোন আকলিমা বেগম। গত ১৩ মার্চ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পৃথক দুটি চিঠি জমা দেন তিনি।  চিঠিতে আকলিমা বেগম উল্লেখ করেন, সরকার পরিবর্তন হলেও তার ভাইয়ের অবস্থার কোনো পরিবর্তন হয়নি। আবেদনের সঙ্গে বাদল ফরাজীর কারাজীবন নিয়ে লেখা ‘বাদলের কারাবাস’ শীর্ষক বই সংযুক্ত করা হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়, ২০০৮ সালে ভ্রমণে গিয়ে নামের মিলের কারণে ভারতে একটি হত্যা মামলায় বাদল ফরাজী গ্রেপ্তার হন। ২০১৮ সালে বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় তাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়। তবে দেশে ফেরার পরও তিনি কারামুক্ত হননি। দীর্ঘ কারাবাসে পরিবারের ওপর প্রভাব পড়েছে। এ সময় তার বাবা মারা গেছেন। বর্তমানে তার মা অসুস্থ অবস্থায় রয়েছেন এবং মৃত্যুর আগে ছেলেকে দেখার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। আবেদনে আকলিমা বেগম বলেন, ভুল পরিচয়ের কারণে একজন ব্যক্তি কারাগারে থাকা মানবাধিকারের বিষয় হিসেবে বিবেচিত হওয়া প্রয়োজন। তিনি বিষয়টি বিবেচনা করে প্রশাসনিক ও কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে বাদল ফরাজীর মুক্তির দা

নামের মিলে বাদলের কারাবাস : স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মুক্তির আবেদন
নামের মিলের কারণে দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে কারাগারে থাকা বাদল ফরাজীর মুক্তির দাবিতে সরকারের উচ্চপর্যায়ে আবেদন জানিয়েছেন তার বোন আকলিমা বেগম। গত ১৩ মার্চ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পৃথক দুটি চিঠি জমা দেন তিনি।  চিঠিতে আকলিমা বেগম উল্লেখ করেন, সরকার পরিবর্তন হলেও তার ভাইয়ের অবস্থার কোনো পরিবর্তন হয়নি। আবেদনের সঙ্গে বাদল ফরাজীর কারাজীবন নিয়ে লেখা ‘বাদলের কারাবাস’ শীর্ষক বই সংযুক্ত করা হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়, ২০০৮ সালে ভ্রমণে গিয়ে নামের মিলের কারণে ভারতে একটি হত্যা মামলায় বাদল ফরাজী গ্রেপ্তার হন। ২০১৮ সালে বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় তাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়। তবে দেশে ফেরার পরও তিনি কারামুক্ত হননি। দীর্ঘ কারাবাসে পরিবারের ওপর প্রভাব পড়েছে। এ সময় তার বাবা মারা গেছেন। বর্তমানে তার মা অসুস্থ অবস্থায় রয়েছেন এবং মৃত্যুর আগে ছেলেকে দেখার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। আবেদনে আকলিমা বেগম বলেন, ভুল পরিচয়ের কারণে একজন ব্যক্তি কারাগারে থাকা মানবাধিকারের বিষয় হিসেবে বিবেচিত হওয়া প্রয়োজন। তিনি বিষয়টি বিবেচনা করে প্রশাসনিক ও কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে বাদল ফরাজীর মুক্তির দাবি জানান। বাদল ফরাজীর কারাবাস নিয়ে বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যম ও সামাজিক পরিসরে আলোচনা হয়েছে। ‘বাদলের কারাবাস’ বইয়ের মাধ্যমে বিষয়টি জনসমক্ষে উপস্থাপিত হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন আবেদনকারী।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow