নারায়ণগঞ্জে অস্ত্রসহ ১৮ মামলার আসামি গ্রেফতার

নারায়ণগঞ্জ বন্দরের ১৮ মামলার আসামি মো. দিপুকে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। মঙ্গলবার রাতে বন্দরের পূর্ব চাঁনপুর এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান পরিচালনা তাকে গ্রেফতার করা হয়। বুধবার ( ১১ মার্চ) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব-১১ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন এ তথ্য জানান। গ্রেফতারকৃত আসামি মো. দিপু উপজেলার মদনপুর পূর্ব চানপুরের মুইচা কালাম ওরফে আবু কালামের ছেলে। অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন বলেন, নারায়ণগঞ্জের বন্দর ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় শীর্ষ সন্ত্রাসী ও দিপু তার বাহিনী অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড মাধ্যমে আতঙ্কের জনপথ তৈরি করে রেখেছিল। দিপুর বিরুদ্ধে মাদক, চাঁদাবাজি, জমি দখল ও আধিপত্য বিস্তারসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এসব এলাকায় যে-কোনো নতুন স্থাপনা নির্মাণের সময় তার বাহিনীকে মোটা অঙ্কের টাকা দিতে হয়। চাঁদা না দিলে কাজ বন্ধ করে দেওয়া এবং মারধরের ঘটনা ছিল নিয়মিত। তিনি বলেন, শীতলক্ষ্যা নদীর তীরের বিভিন্ন পয়েন্টে পণ্যবাহী ট্রলার ও বাল্কহেড থেকে তার বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত চাঁদা আদায় ও স্থানীয় ছোট-বড় ব্যবসায়ীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে নিয়মিত ‘মাসোহারা’ আদায়

নারায়ণগঞ্জে অস্ত্রসহ ১৮ মামলার আসামি গ্রেফতার

নারায়ণগঞ্জ বন্দরের ১৮ মামলার আসামি মো. দিপুকে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। মঙ্গলবার রাতে বন্দরের পূর্ব চাঁনপুর এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান পরিচালনা তাকে গ্রেফতার করা হয়।

বুধবার ( ১১ মার্চ) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব-১১ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন এ তথ্য জানান।

গ্রেফতারকৃত আসামি মো. দিপু উপজেলার মদনপুর পূর্ব চানপুরের মুইচা কালাম ওরফে আবু কালামের ছেলে।

অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন বলেন, নারায়ণগঞ্জের বন্দর ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় শীর্ষ সন্ত্রাসী ও দিপু তার বাহিনী অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড মাধ্যমে আতঙ্কের জনপথ তৈরি করে রেখেছিল। দিপুর বিরুদ্ধে মাদক, চাঁদাবাজি, জমি দখল ও আধিপত্য বিস্তারসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এসব এলাকায় যে-কোনো নতুন স্থাপনা নির্মাণের সময় তার বাহিনীকে মোটা অঙ্কের টাকা দিতে হয়। চাঁদা না দিলে কাজ বন্ধ করে দেওয়া এবং মারধরের ঘটনা ছিল নিয়মিত।

নারায়ণগঞ্জে অস্ত্রসহ ১৮ মামলার আসামি গ্রেফতার

তিনি বলেন, শীতলক্ষ্যা নদীর তীরের বিভিন্ন পয়েন্টে পণ্যবাহী ট্রলার ও বাল্কহেড থেকে তার বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত চাঁদা আদায় ও স্থানীয় ছোট-বড় ব্যবসায়ীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে নিয়মিত ‘মাসোহারা’ আদায় করার ও অভিযোগ রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, দিপু তার বাহিনীর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের পৈতৃক জমি ও ভিটেমাটি জোরপূর্বক দখল করে। ভুক্তভোগীদের ভয় দেখিয়ে নামমাত্র মূল্যে জমি লিখে নেওয়া অথবা পেশিশক্তি ব্যবহার করে উচ্ছেদ করার ঘটনায় সে এলাকায় কুখ্যাত। আধিপত্য বজায় রাখতে দিপু প্রায়ই আগ্নেয়াস্ত্রধারী সন্ত্রাসী বাহিনী ব্যবহার করে আসছিল।

কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন জানান, দিপু বাহিনীর ছত্রছায়ায় মদনপুর ও বন্দর এলাকায় মাদকের একটি বিশাল নেটওয়ার্ক গড়ে উঠে। তার সরাসরি তত্ত্বাবধান এলাকায় গাঁজা, ইয়াবা ও ফেন্সিডিল কেনা-বেচা হয়। এই আসামির বিরুদ্ধে অস্ত্র, ডাকাতি, চাঁদাবাজিসহ অন্তত ১৮টি মামলা রয়েছে।

গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য বন্দর থানা হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানায় র‍্যাব।

মো. আকাশ/কেএইচকে/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow