নারীকে খুঁটিতে বেঁধে নির্যাতনের ভিডিও সম্পর্কে যা জানা গেল
শীতের পোশাক পরা এক নারীকে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে বালতি ও মগ দিয়ে পানি ঢালছেন দুজন। মুখে হাসি নিয়ে কয়েকজন জটলা করে দেখছেন। একজন ভিডিও করছেন। শনিবার (৩ জানুয়ারি) ফেসবুকে এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। ঘটনাটির খোঁজ করতে গিয়ে জানা যায়, এটি গুলশানের নদ্দা এলাকার মোড়ল বাজারের। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) চুরির অভিযোগ তুলে ওই নারীকে খুঁটিতে বেঁধে পানি ঢেলে নির্যাতন করা হয়। নির্যাতনে সম্পৃক্ততার অভিযোগে গুলশান থানার পুলিশ পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানা হেফাজতে নিয়েছে। তবে ওই নারীকে পুলিশ খুঁজে পায়নি। রোববার (৪ জানুয়ারি) অভিযানে যাওয়া পুলিশ সদস্যরা জানান, ভাইরাল ভিডিওটি পুলিশের নজরে আসে। স্থানটি গুলশান থানাধীন নদ্দা এলাকার মোড়ল বাজার বলে শনাক্ত করা হয়। রাত সাড়ে ১০টায় পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তারা ঘটনাস্থল মারকাযুত তা'লীম আল- ইসলামী মাদ্রাসায় পৌঁছান। পুলিশের কাছে মাদ্রাসার লোকজন বলে, সেদিন সকাল সাড়ে ৬টা থেকে ৭টার মধ্যে মাদ্রাসার দুই শিশুশিক্ষার্থী দেখতে পায়, ওই নারী মাদ্রাসার লোকমান নামের একজন শিক্ষকের কক্ষে তার হ্যাঙ্গারে ঝুলিয়ে রাখা পাঞ্জাবির পকেটে হাত দিচ্ছেন। শিশুশিক
শীতের পোশাক পরা এক নারীকে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে বালতি ও মগ দিয়ে পানি ঢালছেন দুজন। মুখে হাসি নিয়ে কয়েকজন জটলা করে দেখছেন। একজন ভিডিও করছেন। শনিবার (৩ জানুয়ারি) ফেসবুকে এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ভাইরাল হয়।
ঘটনাটির খোঁজ করতে গিয়ে জানা যায়, এটি গুলশানের নদ্দা এলাকার মোড়ল বাজারের। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) চুরির অভিযোগ তুলে ওই নারীকে খুঁটিতে বেঁধে পানি ঢেলে নির্যাতন করা হয়।
নির্যাতনে সম্পৃক্ততার অভিযোগে গুলশান থানার পুলিশ পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানা হেফাজতে নিয়েছে। তবে ওই নারীকে পুলিশ খুঁজে পায়নি।
রোববার (৪ জানুয়ারি) অভিযানে যাওয়া পুলিশ সদস্যরা জানান, ভাইরাল ভিডিওটি পুলিশের নজরে আসে। স্থানটি গুলশান থানাধীন নদ্দা এলাকার মোড়ল বাজার বলে শনাক্ত করা হয়। রাত সাড়ে ১০টায় পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তারা ঘটনাস্থল মারকাযুত তা'লীম আল- ইসলামী মাদ্রাসায় পৌঁছান।
পুলিশের কাছে মাদ্রাসার লোকজন বলে, সেদিন সকাল সাড়ে ৬টা থেকে ৭টার মধ্যে মাদ্রাসার দুই শিশুশিক্ষার্থী দেখতে পায়, ওই নারী মাদ্রাসার লোকমান নামের একজন শিক্ষকের কক্ষে তার হ্যাঙ্গারে ঝুলিয়ে রাখা পাঞ্জাবির পকেটে হাত দিচ্ছেন। শিশুশিক্ষার্থীরা চিৎকার করলে পাশের কক্ষ থেকে একরাম নামের আরেক শিক্ষক বেরিয়ে আসেন এবং ওই নারীকে আটক করেন। ওই নারীকে তারা পুলিশে সোপর্দ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু পরে নিজেরাই ‘শাস্তি’ দিয়ে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। শাস্তির প্রক্রিয়া হিসেবে নারীকে বেঁধে পানি ঢেলে ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর কয়েকজন ওই নারীকে উত্তরাগামী একটি বাসে তুলে দেন।
ওসি মো. রাকিবুল হাসান বলেন, ভিডিও দেখেই পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেয়। রাতেই পাঁচজনকে থানায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসে। এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় মামলা হয়নি। পুলিশের একটি দল ভুক্তভোগী নারীর খোঁজ করছে।
What's Your Reaction?