নালিতাবাড়ীতে টিমের উদ্যোগে পাহাড়ী রাস্তায় রোপন হবে হাজারও কৃষ্ণচূড়ার চারা, উদ্বোধন করলেন এমপি ফাহিম চৌধুরী

ভারতের মেঘালয় রাজ্যেঘেষা সীমান্তবর্তী এলাকা শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলা। পর্যটন এবং বন্যহাতির জন্য বেশ পরিচিতি পাওয়া উপজেলাটিতে এবার দারুণ এক উদ্যোগ নিয়েছে স্থানীয় একটি সামাজিক সংগঠন টিম (TEAM)। এলাকার পাহাড়ী রাস্তার দুইপাশে এক হাজার কৃষ্ণচূড়ার চারা রোপন করবে সংগঠন TEAM। সংগঠনটির এমন উদ্যোগে সাড়া দিয়েছেন শেরপুর-০২ (নকলা-নালিতাবাড়ী উপজেলা) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিয়ার ফাহিম চৌধুরী। তরুণদের এমন আয়োজনের চারা বরাদ্ধ দেওয়া ছাড়াও সম্প্রতি তিনি নিজে উপস্থিত হয়ে সংগঠনটির বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এ সময় তার স্ত্রীও উপস্থিত ছিলেন। একই সময় এলাকাটিতে দীর্ঘদিন ধরে বন্যহাতি এবং মানুষের মধ্যে চলা আসা বিরোধ নিষ্পত্তিতে সরকারের উদ্যোগের কথা জানান ফাহিম চৌধুরী। তিনি বলেন, বন্যহাতিদের জন্য পাহাড়ে একটি অভরায়ণ্য তৈরি করা হবে। যেখানে হাতিদের জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক খাদ্যের যোগান থাকবে। এছাড়া বেশ কয়েকটি জলাশয়ের ব্যবস্থা থাকবে। যেখানে বন্যহাতিরা অবস্থান করবে। কৃষ্ণচূড়া চারা রোপন নিয়ে সংগঠনটির সভাপতি রোকুনুজ্জামান সেলিম জানান, পাহাড়ী রাস্তায় এমনিতে অনেক দর্শক ঘুরতে আসেন। পাহাড়ের মাঝদিয়ে চলা রাস্তার দুইপাশ

নালিতাবাড়ীতে টিমের উদ্যোগে পাহাড়ী রাস্তায় রোপন হবে হাজারও কৃষ্ণচূড়ার চারা, উদ্বোধন করলেন এমপি ফাহিম চৌধুরী

ভারতের মেঘালয় রাজ্যেঘেষা সীমান্তবর্তী এলাকা শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলা। পর্যটন এবং বন্যহাতির জন্য বেশ পরিচিতি পাওয়া উপজেলাটিতে এবার দারুণ এক উদ্যোগ নিয়েছে স্থানীয় একটি সামাজিক সংগঠন টিম (TEAM)।

এলাকার পাহাড়ী রাস্তার দুইপাশে এক হাজার কৃষ্ণচূড়ার চারা রোপন করবে সংগঠন TEAM। সংগঠনটির এমন উদ্যোগে সাড়া দিয়েছেন শেরপুর-০২ (নকলা-নালিতাবাড়ী উপজেলা) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিয়ার ফাহিম চৌধুরী।

তরুণদের এমন আয়োজনের চারা বরাদ্ধ দেওয়া ছাড়াও সম্প্রতি তিনি নিজে উপস্থিত হয়ে সংগঠনটির বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এ সময় তার স্ত্রীও উপস্থিত ছিলেন।

একই সময় এলাকাটিতে দীর্ঘদিন ধরে বন্যহাতি এবং মানুষের মধ্যে চলা আসা বিরোধ নিষ্পত্তিতে সরকারের উদ্যোগের কথা জানান ফাহিম চৌধুরী।

তিনি বলেন, বন্যহাতিদের জন্য পাহাড়ে একটি অভরায়ণ্য তৈরি করা হবে। যেখানে হাতিদের জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক খাদ্যের যোগান থাকবে। এছাড়া বেশ কয়েকটি জলাশয়ের ব্যবস্থা থাকবে। যেখানে বন্যহাতিরা অবস্থান করবে।

কৃষ্ণচূড়া চারা রোপন নিয়ে সংগঠনটির সভাপতি রোকুনুজ্জামান সেলিম জানান, পাহাড়ী রাস্তায় এমনিতে অনেক দর্শক ঘুরতে আসেন। পাহাড়ের মাঝদিয়ে চলা রাস্তার দুইপাশে কৃষ্ণচূড়ার ফুল ফুটলে দেখার মতো একটি রাস্তা হবে এবং অনেক মানুষ ঘুরতে আসবেন এবং একটি বাণিজ্যিক কার্যক্রম তৈরি হবে।

তিনি আরও বলেন, মূলত এমন ভাবনা থেকে আমাদের সংগঠন TEAM-এর অন্যান্য সদস্যরা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমাদের একালার এমপি ফাহিম চৌধুরী বিষয়টি নিয়েও অনেক আগ্রহী। আমাদেরকে উৎসাহ এবং সহযোগিতা করার জন্য তাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

জানা গেছে, দীর্ঘ রাস্তাটিতে কৃষ্ণচূড়ার এক হাজার চারা রোপন করা হবে। দুই বছর পর ফুল ফুটলে পুরো রাস্তাটি হয়ে উঠবে দর্শকদের উৎসব মুখর। সংগঠন TEAM-এর এমন উদ্যোগে এলাকাবাসীরা দারুণ উৎসাহ দিচ্ছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow