নাশকতায় অর্থের জোগানদাতা যুবলীগ নেতা ‘ইন্টারনেট মিলন’ গ্রেপ্তার
ঢাকার আশুলিয়ায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের অর্থ জোগানদাতা হিসেবে চিহ্নিত যুবলীগ নেতা ইন্টারনেট মিলন মোল্লাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঘিরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডসহ একাধিক মামলার আসামি এই মিলন দীর্ঘদিন ধরে আশুলিয়ায় সহিংসতা ও অস্থিতিশীলতা তৈরিতে অর্থায়ন করে আসছিল বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সোমবার (০৫ জানুয়ারি) দুপুরে অন্যান্য আসামিদের সঙ্গে তাকে প্রিজন ভ্যানে করে আদালতে পাঠানো হয়। এর আগে গতকাল রোববার রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে সাভার বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুবেল হাওলাদারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল তাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত ইন্টারনেট মিলন মোল্লা আশুলিয়া ইউনিয়নের টংগাবাড়ি এলাকার শাহজাহান মোল্লার ছেলে। তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন যুবলীগের সক্রিয় নেতা ছিলেন এবং আশুলিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী হিসেবেও পরিচিত। পুলিশের তথ্য মতে, আশুলিয়ায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ব্যানারে সংঘটিত বিভিন্ন নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড, মশাল মিছিল, অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও সহিংস কর্মসূচি বাস্তবায়নে নিয়মিত অর্থ
ঢাকার আশুলিয়ায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের অর্থ জোগানদাতা হিসেবে চিহ্নিত যুবলীগ নেতা ইন্টারনেট মিলন মোল্লাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঘিরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডসহ একাধিক মামলার আসামি এই মিলন দীর্ঘদিন ধরে আশুলিয়ায় সহিংসতা ও অস্থিতিশীলতা তৈরিতে অর্থায়ন করে আসছিল বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
সোমবার (০৫ জানুয়ারি) দুপুরে অন্যান্য আসামিদের সঙ্গে তাকে প্রিজন ভ্যানে করে আদালতে পাঠানো হয়।
এর আগে গতকাল রোববার রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে সাভার বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুবেল হাওলাদারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল তাকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃত ইন্টারনেট মিলন মোল্লা আশুলিয়া ইউনিয়নের টংগাবাড়ি এলাকার শাহজাহান মোল্লার ছেলে। তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন যুবলীগের সক্রিয় নেতা ছিলেন এবং আশুলিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী হিসেবেও পরিচিত।
পুলিশের তথ্য মতে, আশুলিয়ায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ব্যানারে সংঘটিত বিভিন্ন নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড, মশাল মিছিল, অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও সহিংস কর্মসূচি বাস্তবায়নে নিয়মিত অর্থ যোগান দিতেন ইন্টারনেট মিলন। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় ছাত্র হত্যাকাণ্ডে তার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সম্পৃক্ততার অভিযোগও রয়েছে।
এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুবেল হাওলাদার গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে কালবেলাকে বলেন, নাশকতায় অর্থায়নকারী ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। পর্যায়ক্রমে সব দুষ্কৃতিকারীকে আইনের আওতায় আনা হবে। গ্রেপ্তারকৃত মিলনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলোর তদন্ত জোরদার করা হয়েছে এবং নাশকতার সঙ্গে জড়িত তার সহযোগীদের চিহ্নিত করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে কেউ পরিস্থিতি ঘোলাটে করতে চাইলে সে যেই হোক তাকে সঙ্গে সঙ্গে আইনের আওতায় আনা হবে।
What's Your Reaction?