নিঃস্ব আব্দুল বাছেদের জীবন বদলে যাওয়ার গল্প
টাঙ্গাইলের যমুনা তীরের গ্রাম নরসিংহপুরের আব্দুল বাছেদের জীবন বদলে যাওয়ার গল্প জানালেন আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ। ১৬ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টায় তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এমন পোস্ট করেন। পোস্টটি জাগো নিউজের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো। ‘শৈশবের অভাব আর অন্যের জমিতে শ্রম দেওয়া ছেলেটি আজ নিজেই চারজনের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন। প্রতি মাসে উপার্জন করছেন ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা। টাঙ্গাইলের যমুনা তীরের গ্রাম নরসিংহপুরের আব্দুল বাছেদ প্রমাণ করেছেন, অদম্য ইচ্ছা আর সঠিক সহযোগিতা থাকলে জীবন বদলে ফেলা সম্ভব। দরিদ্র কৃষক পরিবারে জন্ম নেওয়া বাছেদ অভাবের তাড়নায় ছোটবেলাতেই পড়াশোনা ছেড়ে বাবার সাথে অন্যের জমিতে কাজ শুরু করেন। কিন্তু বড় হওয়ার সাথে সাথে দায়িত্বের বোঝা বাড়লে তিনি ঘর ছাড়েন কাজ শিখতে। আত্মীয়ের বাড়িতে থেকে আয়ত্ত করেন খাট, সোফা, ডাইনিং টেবিলসহ সব ধরনের আসবাবপত্র তৈরির নিপুণ কারুকাজ। আরও পড়ুনউপহার পৌঁছে দিতে গিয়ে থমকে যেতে হয় কাজ শিখলেও নিজের ব্যবসা শুরুর মতো পুঁজি বা যন্ত্রপাতি বাছেদের ছিল না। অন্যের থেকে কাঠ চেয়ে আর ধার করা যন্ত্রপাতি দিয়ে তিনি আসবাবপত্র বানাতেন।
টাঙ্গাইলের যমুনা তীরের গ্রাম নরসিংহপুরের আব্দুল বাছেদের জীবন বদলে যাওয়ার গল্প জানালেন আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ। ১৬ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টায় তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এমন পোস্ট করেন। পোস্টটি জাগো নিউজের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।
‘শৈশবের অভাব আর অন্যের জমিতে শ্রম দেওয়া ছেলেটি আজ নিজেই চারজনের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন। প্রতি মাসে উপার্জন করছেন ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা। টাঙ্গাইলের যমুনা তীরের গ্রাম নরসিংহপুরের আব্দুল বাছেদ প্রমাণ করেছেন, অদম্য ইচ্ছা আর সঠিক সহযোগিতা থাকলে জীবন বদলে ফেলা সম্ভব।
দরিদ্র কৃষক পরিবারে জন্ম নেওয়া বাছেদ অভাবের তাড়নায় ছোটবেলাতেই পড়াশোনা ছেড়ে বাবার সাথে অন্যের জমিতে কাজ শুরু করেন। কিন্তু বড় হওয়ার সাথে সাথে দায়িত্বের বোঝা বাড়লে তিনি ঘর ছাড়েন কাজ শিখতে। আত্মীয়ের বাড়িতে থেকে আয়ত্ত করেন খাট, সোফা, ডাইনিং টেবিলসহ সব ধরনের আসবাবপত্র তৈরির নিপুণ কারুকাজ।
কাজ শিখলেও নিজের ব্যবসা শুরুর মতো পুঁজি বা যন্ত্রপাতি বাছেদের ছিল না। অন্যের থেকে কাঠ চেয়ে আর ধার করা যন্ত্রপাতি দিয়ে তিনি আসবাবপত্র বানাতেন। যা সামান্য পারিশ্রমিক পেতেন, তা দিয়েই চলতো সংসার। নিজের একটি দোকান দেওয়ার স্বপ্ন তখনো ছিল পাহাড়সম বাধার মুখে।
আব্দুল বাছেদের এই দক্ষতা এবং লড়াইয়ের গল্প পৌঁছায় আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের কাছে। তার সততা ও সক্ষমতা যাচাইয়ের পর ফাউন্ডেশন তার পাশে দাঁড়ায়। তিন ধাপে মোট ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা পুঁজি প্রদান করা হয়। যা দিয়ে তিনি একটি দোকান ভাড়া নেন এবং প্রয়োজনীয় কাঠ ও আধুনিক যন্ত্রপাতি ক্রয় করেন।
আজ আব্দুল বাছেদ আর অন্যের মুখাপেক্ষী নন। তার দোকানে এখন দুইজন বেকার যুবকের স্থায়ী কর্মসংস্থান হয়েছে। আরও দুইজন অস্থায়ীভাবে কাজ করেন। মাসে এখন তার আয় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা। যমুনার তীরের সেই নিঃস্ব বাছেদ আজ টাঙ্গাইলের একজন গর্বিত আসবাবপত্র ব্যবসায়ী।’
এসইউ
What's Your Reaction?