নিখোঁজের পরদিন কিশোরের মরদেহ উদ্ধার

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় নিখোঁজের একদিন পর মো. জুনাইদ আহমেদ (১৩) নামে এক কিশোরের মরদেহ পুকুর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৫ জুলাই) উপজেলার নওপাড়া ইউনিয়নের বহুলী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরিবারের দাবি, পূর্ববিরোধের জেরে জুনাইদকে হত্যা করে মরদেহ পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে। তবে পুলিশ বলছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে। নিহত জুনাইদ বহুলী গ্রামের দিলোয়ার হোসেন ও তাজ মহল আক্তারের ছেলে। পারিবারিক সূত্র জানায়, মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর জুনাইদ নিখোঁজ হয়। স্বজনেরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। বুধবার দুপুর ১টার দিকে স্থানীয় লোকজন গ্রামের একটি পুকুরে তার মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। আরও পড়ুন পিকনিকে গিয়ে নদীতে নিখোঁজ কিশোরের মরদেহ উদ্ধার খবর পেয়ে কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, পূর্বের বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে জুনাইদকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। প

নিখোঁজের পরদিন কিশোরের মরদেহ উদ্ধার

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় নিখোঁজের একদিন পর মো. জুনাইদ আহমেদ (১৩) নামে এক কিশোরের মরদেহ পুকুর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১৫ জুলাই) উপজেলার নওপাড়া ইউনিয়নের বহুলী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

পরিবারের দাবি, পূর্ববিরোধের জেরে জুনাইদকে হত্যা করে মরদেহ পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে। তবে পুলিশ বলছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে। নিহত জুনাইদ বহুলী গ্রামের দিলোয়ার হোসেন ও তাজ মহল আক্তারের ছেলে।

পারিবারিক সূত্র জানায়, মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর জুনাইদ নিখোঁজ হয়। স্বজনেরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। বুধবার দুপুর ১টার দিকে স্থানীয় লোকজন গ্রামের একটি পুকুরে তার মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন।

খবর পেয়ে কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, পূর্বের বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে জুনাইদকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। পরে মরদেহ পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দাও একই ধরনের সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এইচ এম কামাল/এসজেডএইচ/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow