নিখোঁজের চারদিন পর কারখানার জেনারেটর রুমে মিললো যুবকের মরদেহ

রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় নিখোঁজের চারদিন পর একটি কারখানার জেনারেটর রুম থেকে বিজয় (১৯) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি এস এম সোলিম ইন্ডাস্ট্রিজে ক্লিনার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে কারখানাটির অ্যাডমিন-ম্যানেজারের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। রাত সাড়ে ১১টার দিকে এস এম সোলিম ইন্ডাস্ট্রিজের একটি বদ্ধ জেনারেটর রুম থেকে উপুড় হয়ে থাকা অবস্থায় বিজয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে এবং মরদেহের পাশে একটি রক্তমাখা ইট পড়ে ছিল। ওসি আরও জানান, গত বৃহস্পতিবার অফিসে আসার পর থেকেই বিজয় নিখোঁজ ছিলেন। তিনি কড়াইল বস্তিতে বসবাস করতেন। নিখোঁজের ঘটনায় তার পরিবার বনানী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করলেও বিষয়টি তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানাকে জানানো হয়নি। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ঘটনার দিন কারখানার পিয়ন রাজু বিজয়ের সঙ্গে জেনারেটর রুমে প্রবেশ করেছিলেন। পরে রাজু বের হয়ে এলেও বিজয় বের হয়েছেন

নিখোঁজের চারদিন পর কারখানার জেনারেটর রুমে মিললো যুবকের মরদেহ

রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় নিখোঁজের চারদিন পর একটি কারখানার জেনারেটর রুম থেকে বিজয় (১৯) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি এস এম সোলিম ইন্ডাস্ট্রিজে ক্লিনার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে কারখানাটির অ্যাডমিন-ম্যানেজারের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। রাত সাড়ে ১১টার দিকে এস এম সোলিম ইন্ডাস্ট্রিজের একটি বদ্ধ জেনারেটর রুম থেকে উপুড় হয়ে থাকা অবস্থায় বিজয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে এবং মরদেহের পাশে একটি রক্তমাখা ইট পড়ে ছিল।

ওসি আরও জানান, গত বৃহস্পতিবার অফিসে আসার পর থেকেই বিজয় নিখোঁজ ছিলেন। তিনি কড়াইল বস্তিতে বসবাস করতেন। নিখোঁজের ঘটনায় তার পরিবার বনানী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করলেও বিষয়টি তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানাকে জানানো হয়নি।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ঘটনার দিন কারখানার পিয়ন রাজু বিজয়ের সঙ্গে জেনারেটর রুমে প্রবেশ করেছিলেন। পরে রাজু বের হয়ে এলেও বিজয় বের হয়েছেন কি না সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন বলে অ্যাডমিন-ম্যানেজার জানান।

বর্তমানে পিয়ন রাজু পলাতক রয়েছেন এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধারণা করছে, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে রাজুর সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে।

মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

টিটি/এএমএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow