নিজ বাসা থেকে স্কুল শিক্ষকের মরদেহ উদ্ধার

চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালি থানাধীন দেওয়ানজী পুকুরপাড় এলাকায় নিজ বাসা থেকে পলি চৌধুরী (৪৬) নামে এক স্কুল শিক্ষকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (১০ মে) দুপুর ৩টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি পটিয়ার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন।   পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পলি চৌধুরী ওই বাসায় একা থাকতেন। গত শনিবার থেকে স্বজনরা মুঠোফোনে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। রোববার দুপুরে তার বাসার দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখে সন্দেহ হলে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করা হয়। খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় ঘরের মেঝেতে তাকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। উদ্ধারের সময় তার হাতে টেলিভিশনের রিমোট ছিল।   কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাশেদ কালবেলাকে জানান, মরদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে অন্তত দুই-তিন দিন আগে তার মৃত্যু হয়েছে, কারণ শরীরে পচন ধরেছে এবং কিছুটা ফুলে গেছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।   নিহতের বড় ব

নিজ বাসা থেকে স্কুল শিক্ষকের মরদেহ উদ্ধার
চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালি থানাধীন দেওয়ানজী পুকুরপাড় এলাকায় নিজ বাসা থেকে পলি চৌধুরী (৪৬) নামে এক স্কুল শিক্ষকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (১০ মে) দুপুর ৩টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি পটিয়ার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন।   পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পলি চৌধুরী ওই বাসায় একা থাকতেন। গত শনিবার থেকে স্বজনরা মুঠোফোনে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। রোববার দুপুরে তার বাসার দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখে সন্দেহ হলে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করা হয়। খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় ঘরের মেঝেতে তাকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। উদ্ধারের সময় তার হাতে টেলিভিশনের রিমোট ছিল।   কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাশেদ কালবেলাকে জানান, মরদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে অন্তত দুই-তিন দিন আগে তার মৃত্যু হয়েছে, কারণ শরীরে পচন ধরেছে এবং কিছুটা ফুলে গেছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।   নিহতের বড় বোন মিষ্টু চৌধুরী কালবেলাকে জানান, শনিবার থেকে পলিকে ফোনে না পেয়ে তারা উদ্বিগ্ন ছিলেন। পরে বাসায় এসে দরজা বন্ধ দেখে পুলিশকে খবর দেন। প্রতিবেশীরা জানান, পলি চৌধুরী অবিবাহিত ছিলেন। তার মা ও এক বোন প্রবাসে থাকায় তিনি বাসায় একাই থাকতেন। নিহতের সহপাঠী ও প্রতিবেশী চিকিৎসক যীশুময় দেব জানান, গত ৬ মে পলির সঙ্গে তার শেষ দেখা হয়েছিল। তখন তাকে কিছুটা বিমর্ষ দেখাচ্ছিল। তিনি দীর্ঘদিন ধরে উচ্চরক্তচাপ জনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, একাকীত্ব ও অসুস্থতা থেকে স্ট্রোকের কারণে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। পলি চৌধুরীর এমন আকস্মিক ও করুণ মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow