নিম্নমানের তুলা-টিস্যু দিয়ে স্যানিটারি ন্যাপকিন তৈরি, জরিমানা ২ লাখ
বগুড়ায় অনুমোদন ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে নিম্নমানের সার্জিক্যাল পণ্য ও স্যানিটারি ন্যাপকিন তৈরির দায়ে এশা এন্টারপ্রাইজ নামের একটি কারখানাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে কারখানার অবৈধ উৎপাদন কার্যক্রমের স্থানটি সিলগালা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বগুড়া মহানগরীর ফুলদিঘী উত্তরপাড়া এলাকায় র্যাব-১২ বগুড়া ও জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানে এ জরিমানা করা হয়। জানা যায়, বগুড়া মহানগরীর ফুলদিঘী উত্তরপাড়া এলাকায় একটি বাসাবাড়িতে অনুমোদন ছাড়া ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে নারীদের স্যানিটারি ন্যাপকিন, শিশুদের নেবুলাইজার ও ব্রেস্ট ফিডার পাম্পসহ বিভিন্ন সার্জিক্যাল সরঞ্জাম তৈরি করা হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সত্যতা প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানের মালিক এমদাদুল হককে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং অবৈধ কার্যক্রমের অংশটি সিলগালা করা হয়। ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বগুড়া জেলা শাখার সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান বলেন, প্রতিষ্ঠানটি বিএসটিআই এর বাধ্যতামূলক অনুমোদন ছাড়াই পণ্য তৈরি করছিল। জবা ও সেফ কেয়ার নাম
বগুড়ায় অনুমোদন ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে নিম্নমানের সার্জিক্যাল পণ্য ও স্যানিটারি ন্যাপকিন তৈরির দায়ে এশা এন্টারপ্রাইজ নামের একটি কারখানাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে কারখানার অবৈধ উৎপাদন কার্যক্রমের স্থানটি সিলগালা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বগুড়া মহানগরীর ফুলদিঘী উত্তরপাড়া এলাকায় র্যাব-১২ বগুড়া ও জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানে এ জরিমানা করা হয়।
জানা যায়, বগুড়া মহানগরীর ফুলদিঘী উত্তরপাড়া এলাকায় একটি বাসাবাড়িতে অনুমোদন ছাড়া ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে নারীদের স্যানিটারি ন্যাপকিন, শিশুদের নেবুলাইজার ও ব্রেস্ট ফিডার পাম্পসহ বিভিন্ন সার্জিক্যাল সরঞ্জাম তৈরি করা হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সত্যতা প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানের মালিক এমদাদুল হককে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং অবৈধ কার্যক্রমের অংশটি সিলগালা করা হয়।
ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বগুড়া জেলা শাখার সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান বলেন, প্রতিষ্ঠানটি বিএসটিআই এর বাধ্যতামূলক অনুমোদন ছাড়াই পণ্য তৈরি করছিল। জবা ও সেফ কেয়ার নামের স্যানিটারি ন্যাপকিনের গায়ে উৎপাদনে ধামরাইয়ের ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছিল, যা ভোক্তা অধিকার আইনের ৪৪ ধারা অনুযায়ী স্পষ্ট প্রতারণা।
তিনি আরও জানান, অত্যন্ত নিম্নমানের তুলা এবং সাধারণ ফ্রেশ টিস্যু মুড়িয়ে মোড়কজাত করা হচ্ছিল ন্যাপকিনগুলো, যা নারী স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও অস্বাস্থ্যকর। অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে অর্থদণ্ড দেওয়ার পাশাপাশি সিলগালা করা হয়েছে। বগুড়ায় মানবস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ এমন কার্যক্রম বন্ধে তাদের নজরদারি বজায় থাকবে।
র্যাব-১২ বগুড়ার কোম্পানি কমান্ডার ফিরোজ আহম্মেদ বলেন, আমরা যখন গোয়েন্দা তথ্যে জানতে পারি তখনই ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে অবহিত করা হয়। অধিদপ্তরের সহায়তায় অভিযানে জরিমানা করা হয় এবং ক্ষতিকর অংশটি সিলগালা করা হয়। তবে কারখানার যে অংশগুলোতে অন্যান্য ঝুঁকিমুক্ত পণ্য তৈরি হচ্ছে, সে অংশগুলো সচল রাখার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
কেএইচকে/এএসএম
What's Your Reaction?