নিরীক্ষা খাতের মান বজায় রাখতে কাজ করবে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, জাতীয় সম্পদ সুরক্ষায় নিরীক্ষা খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নিরীক্ষা খাতের মান বজায় রাখতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করবে এবং এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতেও গুরুত্ব দেবে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ সচিবালয়ে দি ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের (আইসিএবি) প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাতে এলে তিনি এ কথা বলেন। সচিবালয়ে মন্ত্রীর মিনি কনফারেন্স রুমে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় দেশের নিরীক্ষা খাতের সার্বিক অবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে আলোচনা করা হয়। সাক্ষাতে মন্ত্রী আইসিএবির উত্থাপিত বিষয়গুলো গুরুত্বসহকারে শোনেন এবং বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। আলাপকালে আইসিএবির প্রতিনিধিরা বিগত সময়ে সিএমএ-কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টদের নিরীক্ষা করার অধিকার দেওয়ার প্রসংগে উদ্বেগ জানিয়ে বলেন, ‘দেশের নিরীক্ষা কার্যক্রম আইসিএবির মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে দির্ঘদিন ধরে। নিরীক্ষাতে আইনি কাঠামো ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ছাড়া নিরীক্ষা করার অধিকার বাড়ালে এ খাতের আস্থা হারাতে পারে।’ উল্লেখ্য,

নিরীক্ষা খাতের মান বজায় রাখতে কাজ করবে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, জাতীয় সম্পদ সুরক্ষায় নিরীক্ষা খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নিরীক্ষা খাতের মান বজায় রাখতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করবে এবং এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতেও গুরুত্ব দেবে।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ সচিবালয়ে দি ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের (আইসিএবি) প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাতে এলে তিনি এ কথা বলেন। সচিবালয়ে মন্ত্রীর মিনি কনফারেন্স রুমে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় দেশের নিরীক্ষা খাতের সার্বিক অবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে আলোচনা করা হয়।

সাক্ষাতে মন্ত্রী আইসিএবির উত্থাপিত বিষয়গুলো গুরুত্বসহকারে শোনেন এবং বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

আলাপকালে আইসিএবির প্রতিনিধিরা বিগত সময়ে সিএমএ-কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টদের নিরীক্ষা করার অধিকার দেওয়ার প্রসংগে উদ্বেগ জানিয়ে বলেন, ‘দেশের নিরীক্ষা কার্যক্রম আইসিএবির মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে দির্ঘদিন ধরে। নিরীক্ষাতে আইনি কাঠামো ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ছাড়া নিরীক্ষা করার অধিকার বাড়ালে এ খাতের আস্থা হারাতে পারে।’

উল্লেখ্য, গত বছর ২০২৫ সালের অর্থ আইনে সিএমএদের নিরীক্ষা করার অধিকার দেওয়ার প্রস্তাব তুললেও, আইসিএবির আপত্তিতে তা চূড়ান্ত আইন হয়নি। কিন্তু একই ধরনের প্রস্তাব ২০২৬ সালের সংশ্লিষ্ট আইনে পুনরায় বিবেচনায় আসতে পারে বলে সে প্রশ্নে সরকার যেন সচেতন থাকে তার অনুরোধ জানায় আইসিএবি।

আইসিএবির প্রতিনিধিদের মধ্যে ভাইস প্রেসিডেন্ট সুরাইয়া জান্নাত খান,ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. রোকনুজ্জামান, ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মেহাদি হাসান, ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মনিরুজ্জামান, প্রধান নির্বাহী শুভাশিস বসু উপস্থিত ছিলেন।

আলাপকালে বাণিজ্যমন্ত্রীর কাছে আইসিএবির প্রতিনিধিরা বিভিন্ন দাবির একটি চিঠি দেন। চিঠির বিবরণীতে উল্লেখযোগ্য দিক হলো, ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএমএবি)-তাদের বিধিগতভাবে নিরীক্ষা করার অধিকার নেই। ২০১৮ সালের সংশ্লিষ্ট আইনে তাদের এ সীমাবদ্ধতা বহাল আছে। এছাড়া চিঠিতে আইসিএবির আর্থিক বরাদ্দ বাড়ানোর বিষয়কেও আলোকপাত করেছে।

এনএইচ/এমএএইচ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow