নির্ধারিত সময়ে বর্জ্য অপসারণ, স্বস্তিতে ময়মনসিংহ নগরবাসী

ঈদুল আজহায় কোরবানির বর্জ্য নির্ধারিত সময়ের আগেই অপসারণ করে প্রশংসা কুড়িয়েছে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন (মসিক)। দ্রুত ও সমন্বিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের ফলে ঈদের দিনই নগরের বিভিন্ন এলাকা পরিচ্ছন্ন হয়ে ওঠে। এতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নগরবাসী। ঈদের আগে মসিক প্রশাসক রুকুনোজ্জামান রোকন ঘোষণা দিয়েছিলেন, সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে নগরী থেকে কোরবানির সব বর্জ্য অপসারণ করা হবে। পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের নিরলস প্রচেষ্টা এবং পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনার কারণে নির্ধারিত সময়ের আগেই অপসারণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। নগরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কোরবানি বর্জ্য দ্রুত অপসারণ করায় দুর্গন্ধ ও পরিবেশ দূষণের আশঙ্কা কমেছে। নগরবাসীও পরিচ্ছন্ন পরিবেশে ঈদের আনন্দ উপভোগ করছেন। স্থানীয় মো. কামাল হোসেন বলেন, প্রতি বছরের তুলনায় এবার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অনেক ভালো হয়েছে। ঈদের দিনই বেশিরভাগ জায়গা পরিষ্কার হয়েছে। সুমাইয়া আক্তার বলেন, আগে বর্জ্য পড়ে থাকায় দুর্গন্ধ ছড়াত। এবার দ্রুত অপসারণ করায় স্বস্তি বেড়েছে। মসিক প্রশাসক রুকুনোজ্জামান রোকন জাগো নিউজকে বলেন, আগে থেকেই একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্ম

নির্ধারিত সময়ে বর্জ্য অপসারণ, স্বস্তিতে ময়মনসিংহ নগরবাসী

ঈদুল আজহায় কোরবানির বর্জ্য নির্ধারিত সময়ের আগেই অপসারণ করে প্রশংসা কুড়িয়েছে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন (মসিক)। দ্রুত ও সমন্বিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের ফলে ঈদের দিনই নগরের বিভিন্ন এলাকা পরিচ্ছন্ন হয়ে ওঠে। এতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নগরবাসী।

ঈদের আগে মসিক প্রশাসক রুকুনোজ্জামান রোকন ঘোষণা দিয়েছিলেন, সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে নগরী থেকে কোরবানির সব বর্জ্য অপসারণ করা হবে। পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের নিরলস প্রচেষ্টা এবং পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনার কারণে নির্ধারিত সময়ের আগেই অপসারণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

নগরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কোরবানি বর্জ্য দ্রুত অপসারণ করায় দুর্গন্ধ ও পরিবেশ দূষণের আশঙ্কা কমেছে। নগরবাসীও পরিচ্ছন্ন পরিবেশে ঈদের আনন্দ উপভোগ করছেন।

স্থানীয় মো. কামাল হোসেন বলেন, প্রতি বছরের তুলনায় এবার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অনেক ভালো হয়েছে। ঈদের দিনই বেশিরভাগ জায়গা পরিষ্কার হয়েছে।

সুমাইয়া আক্তার বলেন, আগে বর্জ্য পড়ে থাকায় দুর্গন্ধ ছড়াত। এবার দ্রুত অপসারণ করায় স্বস্তি বেড়েছে।

মসিক প্রশাসক রুকুনোজ্জামান রোকন জাগো নিউজকে বলেন, আগে থেকেই একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও মাঠপর্যায়ের কর্মীদের আন্তরিকতায় নির্ধারিত সময়ের আগেই বর্জ্য অপসারণ সম্ভব হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নগরবাসীকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য শহর উপহার দিতে কাজ করছি। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে পরিচালনা করা হবে।

হোসাইন সুলভ/এএইচ/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow