নির্বাচন ও গণভোট বন্ধের রিট সরাসরি খারিজ করলেন হাইকোর্ট

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোট বন্ধে পদক্ষেপ নিতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিষ্ক্রিয়তা চ্যালেঞ্জ করে করা রিট সরাসরি খারিজ (সামারিলি রিজেক্ট) করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিচারপতি রাজিক-আল-জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতে রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী চঞ্চল কুমার বিশ্বাস ও আসলাম মিয়া। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ ও ব্যারিস্টার অনীক আর হক। তাদের সহায়তায় ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর মুহাম্মদ আজমী ও মো. আহসান হাবীব। আইনজীবী চঞ্চল কুমার বিশ্বাস জানান, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের ব্যাপারে সরকার প্রচার করতে পারে কি না, মূলত এ নিয়ে রিটটি করা হয়। এটা দেখার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের (ইসি)। তিনি জানান, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ৯১ অনুচ্ছেদ অনুসারে ইসি চাইলে নির্বাচন বন্ধ করতে পারে। এ জন্য ইসিকে ডিমান্ড জাস্টিস লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়। তবে এ সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় রিটটি করা হয়। অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনার

নির্বাচন ও গণভোট বন্ধের রিট সরাসরি খারিজ করলেন হাইকোর্ট

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোট বন্ধে পদক্ষেপ নিতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিষ্ক্রিয়তা চ্যালেঞ্জ করে করা রিট সরাসরি খারিজ (সামারিলি রিজেক্ট) করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিচারপতি রাজিক-আল-জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

আদালতে রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী চঞ্চল কুমার বিশ্বাস ও আসলাম মিয়া। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ ও ব্যারিস্টার অনীক আর হক। তাদের সহায়তায় ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর মুহাম্মদ আজমী ও মো. আহসান হাবীব।

আইনজীবী চঞ্চল কুমার বিশ্বাস জানান, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের ব্যাপারে সরকার প্রচার করতে পারে কি না, মূলত এ নিয়ে রিটটি করা হয়। এটা দেখার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের (ইসি)।

তিনি জানান, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ৯১ অনুচ্ছেদ অনুসারে ইসি চাইলে নির্বাচন বন্ধ করতে পারে। এ জন্য ইসিকে ডিমান্ড জাস্টিস লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়। তবে এ সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় রিটটি করা হয়।

অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন–সংক্রান্ত বিধিমালা দেখিয়ে আবেদনকারী রিট নিয়ে এসেছেন, এর সারবত্তা নেই। সরকার যেটি করছে, সেটি হচ্ছে এখানে ‘হ্যাঁ’ দিলে কী হবে এবং ‘না’ দিলে কী হবে।

তিনি বলেন, এটাকে প্রচার বলা যায় না, এটা হচ্ছে জনসচেতনতা তৈরি। গণভোট আলাদা নির্বাচন। তাদের প্রথমে প্রার্থনা ছিল জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিতের। নির্বাচন স্থগিত চেয়ে উদ্দেশ্যমূলকভাবে রিটটি করা হয়েছে, যা খারিজযোগ্য। শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রিটটি সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন।

এর আগে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী নাদিম আহমেদ গত সপ্তাহে রিটটি করেন। রিটের সম্পূরক প্রার্থনায় দেখা যায়, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ৯১ অনুচ্ছেদ অনুসারে ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোট বন্ধে পদক্ষেপ নিতে বিবাদীদের (নির্বাচন কমিশন) নিষ্ক্রিয়তা এবং ব্যর্থতা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, এ বিষয়ে রুল চাওয়া হয়েছিল। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে ২০ জানুয়ারি রিট আবেদনকারীর পাঠানো নোটিশ নিষ্পত্তি করতে নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছিল রিটে।

এফএইচ/কেএইচকে 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow