নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা, যুবদল নেতাসহ আহত ১০
সমঝোতার বৈঠক ঘিরে রক্তাক্ত বাগেরহাটের শরণখোলা। নির্বাচন শেষ হলেও এ উপজেলায় উত্তাপ কমেনি। নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় যুবদল নেতাসহ ১০ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে নির্বাচনী বিরোধের জেরে সোনাতলা এলাকায় দুই পক্ষের এ সংঘর্ষ ঘটে। স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার সোনাতলায় হামলার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার জের ধরে শুক্রবার সকালে সমঝোতার জন্য উভয় পক্ষ বৈঠকে বসে। কিন্তু কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ সময় দুইপক্ষের সংঘর্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে রয়েছেন যুবদল নেতা হালিম খান, রুল হক ফরাজী, ফুলসোনা বেগম, ইব্রাহিম বেপারী, মাসুম ফরাজী, সুমন ফরাজী, কবির ফরাজী, রুবেল খান, রিয়াদুল ফরাজী, ও জসিম ঘরামী। আহতদের মধ্যে ২ জন খুলনা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে এবং অন্যরা শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সামিনুল হক বলেন, নির্বাচনী বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। অভিযোগ পেলে
সমঝোতার বৈঠক ঘিরে রক্তাক্ত বাগেরহাটের শরণখোলা। নির্বাচন শেষ হলেও এ উপজেলায় উত্তাপ কমেনি। নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় যুবদল নেতাসহ ১০ জন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে নির্বাচনী বিরোধের জেরে সোনাতলা এলাকায় দুই পক্ষের এ সংঘর্ষ ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার সোনাতলায় হামলার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার জের ধরে শুক্রবার সকালে সমঝোতার জন্য উভয় পক্ষ বৈঠকে বসে। কিন্তু কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ সময় দুইপক্ষের সংঘর্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন যুবদল নেতা হালিম খান, রুল হক ফরাজী, ফুলসোনা বেগম, ইব্রাহিম বেপারী, মাসুম ফরাজী, সুমন ফরাজী, কবির ফরাজী, রুবেল খান, রিয়াদুল ফরাজী, ও জসিম ঘরামী।
আহতদের মধ্যে ২ জন খুলনা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে এবং অন্যরা শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সামিনুল হক বলেন, নির্বাচনী বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে।
ঘটনার পর এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে।
What's Your Reaction?