নির্বাচনি আচরণবিধি প্রয়োগে সমতার অভাব রয়েছে: মিয়া গোলাম পরওয়ার

নির্বাচনি আচরণবিধি প্রয়োগে সমতার অভাবের অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, চোখের চোখটা সমান হওয়া দরকার। আমরা দেখছি, কিছু প্রার্থী প্রকাশ্যে সমাবেশ করছেন, প্রতীক প্রদর্শন করছেন এবং নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি দিয়ে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করছেন। অথচ এসব ঘটনায় কোনো শোকজ বা নিষেধাজ্ঞার খবর নেই। বুধবার (২১ জানুয়ারি) খুলনা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষ ও জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেন মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনের সচিবের সঙ্গে আলোচনা করে তিনি জেনেছেন, প্রকাশ্য প্রচারণা শুরুর আগেও বাড়ি বাড়ি গিয়ে গণসংযোগ করা আইনসম্মত। তবে পরিচয়পত্র সঙ্গে রেখে গণসংযোগ করাকে আইন লঙ্ঘন হিসেবে দেখানো হচ্ছে—এটি দুঃখজনক। সব প্রার্থীর প্রতি সমান নজরদারির আহ্বান জানান জামায়াতের এই প্রার্থী। এ বিষয়ে খুলনা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আ স ম জামশেদ খোন্দকার বলেন, ‘বিস্তীর্ণ এলাকায় বহু রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীকে মনিটর করা চ্যালেঞ্জিং। তারপরও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী নিরপেক

নির্বাচনি আচরণবিধি প্রয়োগে সমতার অভাব রয়েছে: মিয়া গোলাম পরওয়ার

নির্বাচনি আচরণবিধি প্রয়োগে সমতার অভাবের অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

তিনি বলেন, চোখের চোখটা সমান হওয়া দরকার। আমরা দেখছি, কিছু প্রার্থী প্রকাশ্যে সমাবেশ করছেন, প্রতীক প্রদর্শন করছেন এবং নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি দিয়ে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করছেন। অথচ এসব ঘটনায় কোনো শোকজ বা নিষেধাজ্ঞার খবর নেই।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) খুলনা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষ ও জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেন মিয়া গোলাম পরওয়ার।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনের সচিবের সঙ্গে আলোচনা করে তিনি জেনেছেন, প্রকাশ্য প্রচারণা শুরুর আগেও বাড়ি বাড়ি গিয়ে গণসংযোগ করা আইনসম্মত। তবে পরিচয়পত্র সঙ্গে রেখে গণসংযোগ করাকে আইন লঙ্ঘন হিসেবে দেখানো হচ্ছে—এটি দুঃখজনক। সব প্রার্থীর প্রতি সমান নজরদারির আহ্বান জানান জামায়াতের এই প্রার্থী।

এ বিষয়ে খুলনা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আ স ম জামশেদ খোন্দকার বলেন, ‘বিস্তীর্ণ এলাকায় বহু রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীকে মনিটর করা চ্যালেঞ্জিং। তারপরও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করা হচ্ছে। কোনো পক্ষপাতিত্বের সুযোগ নেই।’

আরিফুর রহমান/এসআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow