'নির্বাচনী প্রচারণার সময় প্রার্থীদের যেন হাদির মতো পরিণতি না হয়'

নির্বাচনি প্রচারণাকালে যে কোন প্রার্থীকে যেন হাদির মতো পরিনতি বহন করতে না হয় সেই পরিবেশ তৈরির জন্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহবান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এর সদস্য সচিব আখতার হোসেন। গতকাল বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে রংপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষ থেকে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে শাপলা কলি প্রতিক নেয়ার পর সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি। আখতার বলেন,  এটা অত্যন্ত দুঃখের বিষয় অস্ত্র উদ্ধার করতে গিয়ে সন্ত্রাসীদের গুলিতে র‌্যাবের একজন কর্মকর্তা খুন হয়েছেন। মিরপুরে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। এর প্রত্যেকটা পরিস্থিতি আইনশৃঙখলা পরিস্থিতির অবনতির প্রতি ইংগিত করে। আমরা নির্বাচন কমিশন ও সরকারের প্রতি আহবান জানাবো আনুষ্ঠানিক প্রচারণার সময়কালে আমাদের কোন প্রার্থীকে হাদি ভাইয়ের মতো পরিনতি বহন করতে না হয়। কোন সাধারণ ভোটারকেও যেন হাদি ভাইয়ের মতো পরিনতি বহন করতে না হয়। আখতার বলেন, আমরা খেয়াল করে দেখেছি অতীতে অনেক ক্ষেত্রেই সাধারণ মানুষের ওপর নিপীড়ন চলে এসেছে। এখনকার সময়ে একটা মামলা বাণিজ্যের মতো ঘটনা ঘটছে। নিজেদের দলের থেকে সমর্থন আনার জন্য মামলা বানিজ্য করছেন অনেকে।  এ সব বি

'নির্বাচনী প্রচারণার সময় প্রার্থীদের যেন হাদির মতো পরিণতি না হয়'

নির্বাচনি প্রচারণাকালে যে কোন প্রার্থীকে যেন হাদির মতো পরিনতি বহন করতে না হয় সেই পরিবেশ তৈরির জন্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহবান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এর সদস্য সচিব আখতার হোসেন।

গতকাল বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে রংপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষ থেকে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে শাপলা কলি প্রতিক নেয়ার পর সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।

আখতার বলেন,  এটা অত্যন্ত দুঃখের বিষয় অস্ত্র উদ্ধার করতে গিয়ে সন্ত্রাসীদের গুলিতে র‌্যাবের একজন কর্মকর্তা খুন হয়েছেন। মিরপুরে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। এর প্রত্যেকটা পরিস্থিতি আইনশৃঙখলা পরিস্থিতির অবনতির প্রতি ইংগিত করে। আমরা নির্বাচন কমিশন ও সরকারের প্রতি আহবান জানাবো আনুষ্ঠানিক প্রচারণার সময়কালে আমাদের কোন প্রার্থীকে হাদি ভাইয়ের মতো পরিনতি বহন করতে না হয়। কোন সাধারণ ভোটারকেও যেন হাদি ভাইয়ের মতো পরিনতি বহন করতে না হয়।

আখতার বলেন, আমরা খেয়াল করে দেখেছি অতীতে অনেক ক্ষেত্রেই সাধারণ মানুষের ওপর নিপীড়ন চলে এসেছে। এখনকার সময়ে একটা মামলা বাণিজ্যের মতো ঘটনা ঘটছে। নিজেদের দলের থেকে সমর্থন আনার জন্য মামলা বানিজ্য করছেন অনেকে।  এ সব বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে ফুল স্টপ সমাধান প্রত্যাশা করি।  যাতে কোনভাবেই অবৈধ অস্ত্র না থাকে। কোন ভাবেই কোন সংঘাত, কোন ভাবেই কোন ভোটার প্রার্থী ও কর্মী ক্ষতিগ্রস্ত না হন। সে ব্যপারে সরকার ও নির্বাচন কমিশন থেকে জোড়ালো পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

জুলাই সনদকে আমরা সিকিউর করতে চাই। আমরা মনে করি যারা 'না' ভোটের ক্যাম্পেইন করছে জনগণ এবার নির্বাচনে তাদেরকেই না করে দিবে। গণভোটে 'হ্যাঁ' জয়যুক্তের মাধ্যমে যে নতুন বাংলাদেশের প্রত্যাশা আমরা করি, তার প্রত্যেকটি অংশকে আমরা সিকিউর  করতে চাই।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow