নির্বাচনী সরঞ্জাম গেল ঘোড়ার গাড়িতে
বগুড়ার সারিয়াকান্দির দুর্গম চরাঞ্চলে ভোটগ্রহণের সরঞ্জামাদি পাঠানো হয়েছে। সেখানে নৌকা, ঘোড়ার গাড়িসহ নানা ধরনের যানবাহনে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তারাও পৌঁছে গেছেন। চরাঞ্চলে ভোটগ্রহণে এবার বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে প্রশাসন। সারিয়াকান্দি এবং সোনাতলা উপজেলা নিয়ে গঠিত বগুড়া-১ আসনের ১২৬ টি কেন্দ্র রয়েছে। এরমধ্যে সারিয়াকান্দি উপজেলায় ১৯টি কেন্দ্র যমুনা নদীর চরাঞ্চলে অবস্থিত, যার প্রতিটি ভোটকেন্দ্র ঝুকিঁপূর্ণ বা গুরুত্বপূর্ণ বলে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন। চরাঞ্চলের এসব দুর্গম এলাকার ভোটকেন্দ্রে পৌঁছাতে অবশ্যই নৌকা বা ঘোড়ার গাড়িতে বা মোটরসাইকেলে যেতে হয়, যা খুবই কষ্টসাধ্য বিষয়। তবে এসব চরাঞ্চলের ভোটকেন্দ্রে বুধবার সকালেই ভোটগ্রহণ কর্মকর্তারা ভোটের সরঞ্জামাদি নিয়ে নৌকা এবং চরের দুর্গম পথে ঘোড়ার গাড়ি, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা এবং মোটরসাইকেলে করে ভোটকেন্দ্রে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছেন। বগুড়া-১ আসনে ভোটগ্রহণ করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলেছেন। বিশেষ করে চরাঞ্চলের ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় সেখানে গত এক সপ্তাহ আগেই সেনাবাহিনীর দুইটি অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। যেখানে ৩ প্লাট
বগুড়ার সারিয়াকান্দির দুর্গম চরাঞ্চলে ভোটগ্রহণের সরঞ্জামাদি পাঠানো হয়েছে। সেখানে নৌকা, ঘোড়ার গাড়িসহ নানা ধরনের যানবাহনে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তারাও পৌঁছে গেছেন। চরাঞ্চলে ভোটগ্রহণে এবার বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে প্রশাসন।
সারিয়াকান্দি এবং সোনাতলা উপজেলা নিয়ে গঠিত বগুড়া-১ আসনের ১২৬ টি কেন্দ্র রয়েছে। এরমধ্যে সারিয়াকান্দি উপজেলায় ১৯টি কেন্দ্র যমুনা নদীর চরাঞ্চলে অবস্থিত, যার প্রতিটি ভোটকেন্দ্র ঝুকিঁপূর্ণ বা গুরুত্বপূর্ণ বলে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন।
চরাঞ্চলের এসব দুর্গম এলাকার ভোটকেন্দ্রে পৌঁছাতে অবশ্যই নৌকা বা ঘোড়ার গাড়িতে বা মোটরসাইকেলে যেতে হয়, যা খুবই কষ্টসাধ্য বিষয়।
তবে এসব চরাঞ্চলের ভোটকেন্দ্রে বুধবার সকালেই ভোটগ্রহণ কর্মকর্তারা ভোটের সরঞ্জামাদি নিয়ে নৌকা এবং চরের দুর্গম পথে ঘোড়ার গাড়ি, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা এবং মোটরসাইকেলে করে ভোটকেন্দ্রে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছেন। বগুড়া-১ আসনে ভোটগ্রহণ করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলেছেন।
বিশেষ করে চরাঞ্চলের ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় সেখানে গত এক সপ্তাহ আগেই সেনাবাহিনীর দুইটি অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। যেখানে ৩ প্লাটুন সেনা সদস্য নিয়োজিত আছেন। এ ছাড়া চরাঞ্চলে ১ প্লাটুন বিজিবির সদস্যসহ সেখানে বিজিবির ক্যাম্পও স্থাপন করা হয়েছে।
এ নির্বাচনে সারিয়াকান্দি উপজেলায় ৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন, তাদের মধ্যে ২ জনই চরের ভোটকেন্দ্রের দায়িত্ব পালন করবেন। এ ছাড়াও সারিয়াকান্দি উপজেলায় ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় পুলিশের ৭টি মোবাইল টিম এবং ২টি স্ট্রাইকিং টিম, র্যাবের একটি মোবাইল টিম, ৪ প্লাটুন বিজিবি সদস্য, ব্যাটালিয়ন আনসারের ২টি মোবাইল টিমসহ কয়েকশ পুলিশ সদস্য নিয়োজিত রয়েছেন।
সারিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মিজ সুমাইয়া ফেরদৌস বলেন, সারিয়াকান্দির দুর্গম চরাঞ্চলসহ পুরো উপজেলায় অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
চরাঞ্চলের ১৯টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ করতে ইতোমধ্যেই বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং সেখানে ২ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ করে সেখানে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
What's Your Reaction?