নির্বাচনে কোনো ধরনের কারচুপি-ষড়যন্ত্র জাতি মেনে নেবে না: ডা. তাহের

জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের বলেছেন, এ জাতিকে রক্ষার জন্য একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অত্যন্ত জরুরি। নির্বাচনে কোনো ধরনের কারচুপি বা ষড়যন্ত্র হলে এ জাতি তা কখনোই মেনে নেবে না, বরং প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) কক্সবাজারের কুতুবদিয়ার বড়ঘোপ বাজারের পশ্চিমে সাগর পাড়ে জামায়াত আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথাগুলো বলেন। সরকার ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ডা. তাহের বলেন, নিরপেক্ষ ও দৃঢ় ভূমিকা পালনের মাধ্যমে জাতিকে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে হবে। গণতন্ত্র ও সবার অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি গুণগত নতুন বাংলাদেশ গড়ার মাইলফলক হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন। জাতীয় পরিবর্তন, উন্নয়ন এবং দেশের স্বাধীনতা রক্ষার প্রশ্নে এটি একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের সময়। তিনি বলেন, নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়তে হলে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ড. হামিদুর রহমান আযাদকে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে সংসদে পাঠাতে হবে। তিনি এমপি হওয়া মানে একজন শক্তিশালী মন্ত্রী পাবে কক্সবাজারবাসী। কুতুবদিয়া চারদিকে টেকসই বেড়িবাঁধ ও

নির্বাচনে কোনো ধরনের কারচুপি-ষড়যন্ত্র জাতি মেনে নেবে না: ডা. তাহের

জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের বলেছেন, এ জাতিকে রক্ষার জন্য একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অত্যন্ত জরুরি। নির্বাচনে কোনো ধরনের কারচুপি বা ষড়যন্ত্র হলে এ জাতি তা কখনোই মেনে নেবে না, বরং প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) কক্সবাজারের কুতুবদিয়ার বড়ঘোপ বাজারের পশ্চিমে সাগর পাড়ে জামায়াত আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথাগুলো বলেন।

সরকার ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ডা. তাহের বলেন, নিরপেক্ষ ও দৃঢ় ভূমিকা পালনের মাধ্যমে জাতিকে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে হবে। গণতন্ত্র ও সবার অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি গুণগত নতুন বাংলাদেশ গড়ার মাইলফলক হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন। জাতীয় পরিবর্তন, উন্নয়ন এবং দেশের স্বাধীনতা রক্ষার প্রশ্নে এটি একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের সময়।

তিনি বলেন, নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়তে হলে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ড. হামিদুর রহমান আযাদকে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে সংসদে পাঠাতে হবে। তিনি এমপি হওয়া মানে একজন শক্তিশালী মন্ত্রী পাবে কক্সবাজারবাসী। কুতুবদিয়া চারদিকে টেকসই বেড়িবাঁধ ও উৎপাদিত লবণের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীকে শক্তিশালী করতে হবে।

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র নাহিদুল ইসলাম বলেন, যারা জীবন দিয়ে-রক্ত দিয়ে বাংলাদেশে একটা নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করেছেন, তাদের ভুলে যাওয়া মোনাফেকির শামিল। ভারতের সঙ্গে গোপন চুক্তি করে যারা আবারও নব্য ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠা করতে চায়, তাদের বয়কট করতে হবে।

উপজেলা জামায়াতের আমির সাবেক চেয়ারম্যান শাহরিয়ার চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় নির্বাচনি জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি শামসুল আলম বাহাদুরসহ ১১ দলীয় জোটের নেতা ও স্থানীয় তৃণমূল পর্যায়ের নেতারা।

সায়ীদ আলমগীর/কেএইচকে/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow