নির্বাচনে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে : বিজন সরকার
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধ ও সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিজন কান্তি সরকার। তিনি বলেছেন, দেশের এখন একটা ক্রান্তিকাল। এই অবস্থায় ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, হিন্দু সম্প্রদায়কে একটা ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্ত নেওয়া খুব প্রয়োজন। আমরা যদি সঠিকভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারি, তাহলে আমাদের এই দেশে থাকা, ভালোভাবে থাকা, মানুষের মতো থাকা, অন্য জনগোষ্ঠীর সাথে মিলে-মিশে থাকার একটা সুযোগ তৈরি হতে পারে। এই বিষয়টি আমাদের বিবেচনা করতে হবে। শনিবার (৩ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর রায়েরবাজারে শ্রীশ্রী মহাপ্রভুর আখড়া মন্দিরে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট (একাংশ) আয়োজিত এক প্রার্থনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিজন সরকার এসব কথা বলেন। সদ্য প্রয়াত বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার আত্মার শান্তি কামনায় এই প্রার্থনা সভার আয়োজন করা হয়। বিজন কান্তি সরকার বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বিএনপি সাত দিনব্যাপি শোক ঘোষণা করেছে। আজকে (শনিবার
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধ ও সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিজন কান্তি সরকার।
তিনি বলেছেন, দেশের এখন একটা ক্রান্তিকাল। এই অবস্থায় ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, হিন্দু সম্প্রদায়কে একটা ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্ত নেওয়া খুব প্রয়োজন। আমরা যদি সঠিকভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারি, তাহলে আমাদের এই দেশে থাকা, ভালোভাবে থাকা, মানুষের মতো থাকা, অন্য জনগোষ্ঠীর সাথে মিলে-মিশে থাকার একটা সুযোগ তৈরি হতে পারে। এই বিষয়টি আমাদের বিবেচনা করতে হবে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর রায়েরবাজারে শ্রীশ্রী মহাপ্রভুর আখড়া মন্দিরে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট (একাংশ) আয়োজিত এক প্রার্থনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিজন সরকার এসব কথা বলেন। সদ্য প্রয়াত বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার আত্মার শান্তি কামনায় এই প্রার্থনা সভার আয়োজন করা হয়।
বিজন কান্তি সরকার বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বিএনপি সাত দিনব্যাপি শোক ঘোষণা করেছে। আজকে (শনিবার) তার পঞ্চম দিন। আমরা সবাই শোকার্ত। সাতদিন পরে বিএনপি হয়তো আনুষ্ঠানিকভাবে শোক দিবসের সমাপ্তি টানবে; কিন্তু প্রার্থনা-মোনাজাত আমাদের চলতেই থাকবে।
তিনি বলেন, খালেদা জিয়া আপসহীন নেত্রী ছিলেন। দেশের গণতন্ত্র, মানুষের অধিকার, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে তিনি কখনো আপস করেননি। তিনি ছিলেন পরম দয়ালু একজন নেত্রী। তিনি সব ধর্মের, সব সম্প্রদায়ের মানুষের প্রতি সমভাবে উদার মনোবৃত্তিসম্পন্ন একজন মানুষ ছিলেন, তিনি সবাইকে কাছে টেনে নিয়েছেন। দেশের কল্যাণ ও মঙ্গলে সাধ্যমতো যতটুকু করা দরকার, সবই করেছেন। পাশাপাশি আমরা অন্য নেতাদেরও দেখেছি। তারা কী করেছেন এবং তাদের পরিণতিও আমরা দেখেছি।
হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের এই চেয়ারম্যান বলেন, এখন দেশের একটা ক্রান্তিকাল। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন। সেই নির্বাচনে বিএনপিসহ অন্যান্য দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। আপনাদের এলাকাতেও বিএনপির প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এখন সামনের এই কঠিন সময়টা আমাদের পার করতে হবে। এ জন্য সামনে আমাদের অনেক কিছু চিন্তা করার ব্যাপার আছে, বিশেষ করে আজকে আমরা যারা এখানে প্রার্থনায় মিলিত হয়েছি- তাদের অধিকাংশই হচ্ছে ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ, হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ। আমরা বিভিন্ন কারণে এ দেশে বিভিন্ন সময়ে অনেক প্রতিকূল অবস্থার মোকাবিলা করেছি। প্রতিটি নির্বাচনেই আমাদেরকে বিভিন্ন ধরনের ট্যাগ দেয়া হয়েছে। বিভিন্ন মত-পথের অনুসারী বলে আমাদেরকে বিভিন্ন সময়ে জ্বালা-যন্ত্রণা পোহাতে হয়েছে, অবজ্ঞা করা হয়েছে, সামনেও হয়তো করা হতে পারে। এখন দেশে যে অবস্থা, এই অবস্থাতে আমাদের একটা ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্ত নেয়া খুব প্রয়োজন।
বিজন সরকার বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দীর্ঘ ১৭ বছর পর গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরেছেন। তিনি বারবার বলেছেন যে, আমরা কোনো ভেদাভেদ চাই না। আমরা সব ধর্ম-বর্ণ-জাতির মানুষ; পাহাড়ি-সমতল-নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী আমরা সব এক হয়ে কাজ করতে চাই। তিনি আরও বলেছেন যে, রংধনুতে যেমন অনেকগুলি রং থাকে, তেমনি এখানেও অনেক মতের মানুষ থাকবে। এটা আমাদের দেশ এবং আমাদের আদর্শ হবে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ। এর ভিত্তিতে আমরা সামনে এগিয়ে যাব। এই বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এনেছিলেন; আমরা সেটা সমুজ্জ্বল রাখতে চাই এবং বিএনপি সেটা সমুজ্জ্বল রেখে সবাইকে নিয়ে কাজ করতে চায়। আপনারা সেটা বিবেচনা করবেন।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্টের (একাংশ) আহ্বায়ক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য রমেশ দত্তের সভাপতিত্বে সভায় সংগঠনের উপদেষ্টা সঞ্জয় গুপ্ত, যুগ্ম আহ্বায়ক প্রণব শাঁখারি প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
What's Your Reaction?