নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা, পুরান ঢাকায় মধ্যরাতে আতশবাজি ও উচ্চশব্দে গান

রাষ্ট্রীয় শোক দিবস ও সব ধরনের বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে পুরান ঢাকার এলাকাগুলোকে গভীর রাতে আতশবাজি ফোটানোর ঘটনা ঘটেছে। শোকের গাম্ভীর্য রক্ষায় আতশবাজি না ফোটানোর অনুরোধ জানানো হলেও বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে লক্ষ্মীবাজার ও সূত্রাপুরসহ আশপাশের এলাকায় এমন চিত্র দেখা গেছে। মধ্যরাতে আতশবাজির শব্দ স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাত ১১টার পর থেকেই বিচ্ছিন্নভাবে এক-দুইটি করে আতশবাজির শব্দ পাওয়া যাচ্ছিল। তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে এর মাত্রা বাড়তে থাকে। রাত ১১টা ৫০ মিনিটের পর থেকে টানা বেশ কিছুক্ষণ উচ্চশব্দে আতশবাজি ফোটানো হয়, যা গভীর রাত পর্যন্ত চলতে থাকে। উচ্চশব্দে গান ও জনভোগান্তি আতশবাজির পাশাপাশি লক্ষ্মীবাজার ও সূত্রাপুর এলাকার বেশ কিছু স্থানে উচ্চশব্দে গান বাজানোর শব্দও শোনা গেছে। শোক দিবসের পরিবেশে এমন কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, সকাল থেকে পুরো এলাকা শোকাতুর ছিল, দোকানপাটও বন্ধ ছিল। কিন্তু মাঝরাতে হঠাৎ এই আতশবাজি আর উচ্চশব্দে গানের শব্দে সবাই অবাক হয়েছি। শোকের দিনে এমন আচরণ কাম্য নয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাক

নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা, পুরান ঢাকায় মধ্যরাতে আতশবাজি ও উচ্চশব্দে গান

রাষ্ট্রীয় শোক দিবস ও সব ধরনের বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে পুরান ঢাকার এলাকাগুলোকে গভীর রাতে আতশবাজি ফোটানোর ঘটনা ঘটেছে। শোকের গাম্ভীর্য রক্ষায় আতশবাজি না ফোটানোর অনুরোধ জানানো হলেও বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে লক্ষ্মীবাজার ও সূত্রাপুরসহ আশপাশের এলাকায় এমন চিত্র দেখা গেছে।

মধ্যরাতে আতশবাজির শব্দ

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাত ১১টার পর থেকেই বিচ্ছিন্নভাবে এক-দুইটি করে আতশবাজির শব্দ পাওয়া যাচ্ছিল। তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে এর মাত্রা বাড়তে থাকে। রাত ১১টা ৫০ মিনিটের পর থেকে টানা বেশ কিছুক্ষণ উচ্চশব্দে আতশবাজি ফোটানো হয়, যা গভীর রাত পর্যন্ত চলতে থাকে।

উচ্চশব্দে গান ও জনভোগান্তি

আতশবাজির পাশাপাশি লক্ষ্মীবাজার ও সূত্রাপুর এলাকার বেশ কিছু স্থানে উচ্চশব্দে গান বাজানোর শব্দও শোনা গেছে। শোক দিবসের পরিবেশে এমন কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও অস্বস্তি তৈরি হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, সকাল থেকে পুরো এলাকা শোকাতুর ছিল, দোকানপাটও বন্ধ ছিল। কিন্তু মাঝরাতে হঠাৎ এই আতশবাজি আর উচ্চশব্দে গানের শব্দে সবাই অবাক হয়েছি। শোকের দিনে এমন আচরণ কাম্য নয়।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে শোক দিবসের পবিত্রতা রক্ষায় সব ধরণের উৎসবমূলক কর্মকাণ্ড বা আতশবাজি থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছিল। কিন্তু রাতের অন্ধকারে সেই অনুরোধ ও বিধিনিষেধকে তোয়াক্কা না করেই একদল মানুষকে এই অপতৎপরতায় লিপ্ত থাকতে দেখা যায়।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়রা প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।

এমডিএএ/এএমএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow