নীলফামারীতে ঘন কুয়াশায় ঢাকা পড়ছে জনপথ, বাড়ছে ভোগান্তি

উত্তরের জেলা নীলফামারীতে হিমেল হাওয়া ও ঘন কুয়াশার সঙ্গে জেঁকে বসেছে তীব্র শীত। এতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জনজীবন। শীতের দাপটে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন দিনমজুর ও খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষেরা। শীতজনিত রোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বৃদ্ধরা। শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, নীলফামারীসহ উত্তরের বেশ কিছু জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। ঘন কুয়াশার কারণে আকাশ ও সড়ক পথে যান চলাচল ব্যাপকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে এবং দুপুরের আগে সূর্যের দেখা মিলছে না। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শীতের তীব্রতায় সবচেয়ে বেশি কষ্টে আছেন দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষ। রাস্তাঘাট ও বাজারে লোকসমাগম কমে যাওয়ায় রিকশাচালক ও ইজিবাইক চালকদের আয় কমে গেছে। এদিকে, বোরো বীজতলা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। ঘন কুয়াশা দীর্ঘস্থায়ী হলে বীজতলার ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তারা। কৃষকরা বলছেন, ঘন কুয়াশা যদি আরও এক সপ্তাহ অব্যাহত থাকে, তাহলে এ বীজ তলার ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান জাগো নিউজকে বলেন, ইতি

নীলফামারীতে ঘন কুয়াশায় ঢাকা পড়ছে জনপথ, বাড়ছে ভোগান্তি

উত্তরের জেলা নীলফামারীতে হিমেল হাওয়া ও ঘন কুয়াশার সঙ্গে জেঁকে বসেছে তীব্র শীত। এতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জনজীবন। শীতের দাপটে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন দিনমজুর ও খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষেরা। শীতজনিত রোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বৃদ্ধরা।

শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, নীলফামারীসহ উত্তরের বেশ কিছু জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। ঘন কুয়াশার কারণে আকাশ ও সড়ক পথে যান চলাচল ব্যাপকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে এবং দুপুরের আগে সূর্যের দেখা মিলছে না।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শীতের তীব্রতায় সবচেয়ে বেশি কষ্টে আছেন দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষ। রাস্তাঘাট ও বাজারে লোকসমাগম কমে যাওয়ায় রিকশাচালক ও ইজিবাইক চালকদের আয় কমে গেছে। এদিকে, বোরো বীজতলা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। ঘন কুয়াশা দীর্ঘস্থায়ী হলে বীজতলার ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তারা।

কৃষকরা বলছেন, ঘন কুয়াশা যদি আরও এক সপ্তাহ অব্যাহত থাকে, তাহলে এ বীজ তলার ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান জাগো নিউজকে বলেন, ইতিমধ্যে সাড়ে ৭ হাজার কম্বল ও ছয় উপজেলায় ৬ লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়ভাবে উপজেলা প্রশাস ওই টাকা দিয়ে কম্বল কিনে বিতরণ করেছেন। নতুন করে আরও ৪০ হাজার কম্বলের চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে।

আমিরুল হক/কেএইচকে/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow