নীড়-নোশিনদের একাডেমি পেল আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি
দেশের বাইরে খেলতে গিয়ে বিভিন্ন দাবা একাডেমি দেখে তখন থেকেই স্বপ্ন ছিল কিছু একটা করার। খেলোয়াড় থেকে সংগঠক হয়ে মাহমুদা হক মলির হাত ধরে ২০১৫ সালে শুরু হয় এলিগ্যান্ট চেস একাডেমির পথচলা। সেই স্বপ্ন পূরণের ১০ বছর না পেরোতেই এসেছে বড় স্বীকৃতি। আন্তর্জাতিক দাবা সংস্থা ফিদে বিশ্বের ৩৭তম দাবা একাডেমি হিসেবে এলিগ্যান্ট চেস একাডেমিকে স্বীকৃতি দিয়েছে। কিছুদিন আগে একাডেমিটি ফিদের কাছ থেকে সনদও পেয়েছে। শুরুর... বিস্তারিত
দেশের বাইরে খেলতে গিয়ে বিভিন্ন দাবা একাডেমি দেখে তখন থেকেই স্বপ্ন ছিল কিছু একটা করার। খেলোয়াড় থেকে সংগঠক হয়ে মাহমুদা হক মলির হাত ধরে ২০১৫ সালে শুরু হয় এলিগ্যান্ট চেস একাডেমির পথচলা। সেই স্বপ্ন পূরণের ১০ বছর না পেরোতেই এসেছে বড় স্বীকৃতি। আন্তর্জাতিক দাবা সংস্থা ফিদে বিশ্বের ৩৭তম দাবা একাডেমি হিসেবে এলিগ্যান্ট চেস একাডেমিকে স্বীকৃতি দিয়েছে। কিছুদিন আগে একাডেমিটি ফিদের কাছ থেকে সনদও পেয়েছে।
শুরুর... বিস্তারিত
What's Your Reaction?