নেদারল্যান্ডসে মসজিদে হামলা, ভাংচুরের পর দেওয়ালে প্রস্রাব

নেদারল্যান্ডসের রটারডাম শহরের একটি মসজিদে হামলা করে ভাংচুর চালিয়েছে একদল দুর্বৃত্ত। হামলাকারীরা মসজিদের দেওয়ালে বিয়ারের বোতল ছুড়ে মেরেছে এবং ভবনের সম্মুখভাগে প্রস্রাব করে চরম অবমাননা করেছে। স্থানীয় সময় গত বৃহস্পতিবার রাতে এই ঘটনা ঘটে বলে শুক্রবার (২৯ মে) এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন নেদারল্যান্ডস (আইএসএন)। আইএসএন জানায়, রাত আনুমানিক পৌনে এগারোটার দিকে (২২:৪০ জিএমটি) ছয়জন অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্ত রটারডামের ঐতিহাসিক ‘মেভলানা মসজিদে’ এই তাণ্ডব চালায়। হামলাকারীরা মসজিদের একটি শৈল্পিক মোজাইক দেওয়াল ভাঙচুর করে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হামলার সময় মসজিদ কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বারবার পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয়নি। হামলাকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করার অনেক পর পুলিশ সেখানে পৌঁছায়। আরও পড়ুন>>আল-আকসার তদারকি থেকে জর্ডানকে সরাতে ‘কাজ করছে’ যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলরমজানে পশ্চিম তীরে মসজিদে আগুন দিলো ইসরায়েলি দখলদাররা সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, ঘটনাস্থলে আসা পুলিশ কর্মকর্তারা এই ন্যাক্কারজনক ঘটনাটিকে ‘সরাসরি হস্তক্ষেপ করার মতো কোনো হুমকি’ হিসেবে গণ্যই করেননি। পুলিশের এমন

নেদারল্যান্ডসে মসজিদে হামলা, ভাংচুরের পর দেওয়ালে প্রস্রাব

নেদারল্যান্ডসের রটারডাম শহরের একটি মসজিদে হামলা করে ভাংচুর চালিয়েছে একদল দুর্বৃত্ত। হামলাকারীরা মসজিদের দেওয়ালে বিয়ারের বোতল ছুড়ে মেরেছে এবং ভবনের সম্মুখভাগে প্রস্রাব করে চরম অবমাননা করেছে। স্থানীয় সময় গত বৃহস্পতিবার রাতে এই ঘটনা ঘটে বলে শুক্রবার (২৯ মে) এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন নেদারল্যান্ডস (আইএসএন)।

আইএসএন জানায়, রাত আনুমানিক পৌনে এগারোটার দিকে (২২:৪০ জিএমটি) ছয়জন অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্ত রটারডামের ঐতিহাসিক ‘মেভলানা মসজিদে’ এই তাণ্ডব চালায়। হামলাকারীরা মসজিদের একটি শৈল্পিক মোজাইক দেওয়াল ভাঙচুর করে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হামলার সময় মসজিদ কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বারবার পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয়নি। হামলাকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করার অনেক পর পুলিশ সেখানে পৌঁছায়।

আরও পড়ুন>>
আল-আকসার তদারকি থেকে জর্ডানকে সরাতে ‘কাজ করছে’ যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
রমজানে পশ্চিম তীরে মসজিদে আগুন দিলো ইসরায়েলি দখলদাররা

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, ঘটনাস্থলে আসা পুলিশ কর্মকর্তারা এই ন্যাক্কারজনক ঘটনাটিকে ‘সরাসরি হস্তক্ষেপ করার মতো কোনো হুমকি’ হিসেবে গণ্যই করেননি। পুলিশের এমন উদাসীন মূল্যায়ন কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে আইএসএন। সংস্থাটি জানায়, হামলার পাশাপাশি পুলিশের এই দীর্ঘ বিলম্বিত প্রতিক্রিয়া স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।

নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত মুসলিমরা

নেদারল্যান্ডসসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মসজিদ ও মুসলিম সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে হামলা, ভাংচুর এবং ইসলামবিদ্বেষমূলক ঘটনার অভিযোগ উঠেছে। নেদারল্যান্ডসে এর আগেও ধর্মীয় স্থাপনায় হামলার ঘটনা ঘটেছে।

আইএসএনের বিবৃতিতে বলা হয়, এ ধরনের ঘটনার কারণে সাধারণ মুসল্লিরা দিন দিন নিজেদের আরও বেশি অনিরাপদ ও হুমকির সম্মুখীন মনে করছেন। যে কোনো পরিস্থিতিতে মুসল্লিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কোনো ভয়ভীতি ছাড়াই ধর্ম পালনের অধিকার রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন নেদারল্যান্ডস (আইএসএন) এরই মধ্যে এই পরিকল্পিত হামলার বিরুদ্ধে থানায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেছে। একই সঙ্গে, ঘটনাটিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তদন্ত করার জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানিয়েছে।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
কেএএ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow