নেশাদ্রব্য খাইয়ে শিশু ধর্ষণ, আসামির যাবজ্জীবন
রাজধানীর বনানীতে ২০২০ সালে নেশা জাতীয় দ্রব্য খাইয়ে অচেতন করে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) ঢাকার শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইবুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন- রাজধানীর বনানীর কড়াইল বস্তির মোকসেদ সিকদার ও মিনারা বেগমের ছেলে নাসির সিকদার। রায়ে যাবজ্জীবনের পাশাপাশি আসামির দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন বিচারক। এই দুই লাখ টাকা দণ্ডিতের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে হলেও তা আদায় করে ভুুক্তভোগী দেওয়ার জন্য জেলা কালেক্টরকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া ভুক্তভোগীকে নেশাজাতীয় দ্রব্য খাওয়ানোর অভিযোগেও দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয় আসামি নাসির সিকদারকে। রায় ঘোষণার পর আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়। জানা যায়, ২০২০ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি দুপুরে পূর্ব পরিচয়ের সুবাদে নাসির সিকদার বার বছরের ওই শিশুকে কড়াইল বস্তির নিজ রুমে ডেকে নেয়। পরে নেশাজাতীয় দ্রব্য খাইয়ে তাকে অচেতন করে ধর্ষণ করে। এতে শিশুটি অন্তঃস্বত্তা হয়ে যায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা নাসির সিকদারকে আসামি করে বনানী থানায়
রাজধানীর বনানীতে ২০২০ সালে নেশা জাতীয় দ্রব্য খাইয়ে অচেতন করে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) ঢাকার শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইবুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এই রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন- রাজধানীর বনানীর কড়াইল বস্তির মোকসেদ সিকদার ও মিনারা বেগমের ছেলে নাসির সিকদার।
রায়ে যাবজ্জীবনের পাশাপাশি আসামির দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন বিচারক। এই দুই লাখ টাকা দণ্ডিতের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে হলেও তা আদায় করে ভুুক্তভোগী দেওয়ার জন্য জেলা কালেক্টরকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
এছাড়া ভুক্তভোগীকে নেশাজাতীয় দ্রব্য খাওয়ানোর অভিযোগেও দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয় আসামি নাসির সিকদারকে। রায় ঘোষণার পর আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়।
জানা যায়, ২০২০ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি দুপুরে পূর্ব পরিচয়ের সুবাদে নাসির সিকদার বার বছরের ওই শিশুকে কড়াইল বস্তির নিজ রুমে ডেকে নেয়। পরে নেশাজাতীয় দ্রব্য খাইয়ে তাকে অচেতন করে ধর্ষণ করে। এতে শিশুটি অন্তঃস্বত্তা হয়ে যায়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা নাসির সিকদারকে আসামি করে বনানী থানায় মামলা করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছয় জন সাক্ষী এই মামলায় আদালতে সাক্ষ্য দেন।
What's Your Reaction?