নো ফুয়েল কার্ড, নো পেট্রোল-অকটেন

সিরাজগঞ্জে ‘নো ফুয়েল কার্ড, নো পেট্রোল-অকটেন’ নীতি গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন। ফুয়েল কার্ড দেখিয়ে পেট্রোল পাম্প থেকে গ্রাহককে জ্বালানি তেল সংগ্রহ করতে হবে। তেল সরবরাহের সময় দেখা হবে কার্ডধারী ব্যক্তি আগে কত তারিখে ও কী পরিমাণ তেল নিয়েছেন। জ্বালানি তেলের সংকট মোকাবিলায় ১ এপ্রিল থেকে জেলায় এই নীতির বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে। সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে জ্বালানি তেলের মজুত, পরিবহন ও বিপণন এবং ব্যবহারবিষয়ক এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তা, পেট্রোল পাম্প মালিক, রাজনৈতিক নেতা ও সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম জানান, পেট্রোল ও অকটেনের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার স্বার্থে মোটরসাইকেল মালিক-চালকদের জন্য ফুয়েল কার্ড চালু করা হচ্ছে। জাতীয় পরিচয়পত্র, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও গাড়ির নিবন্ধনের এক সেট ফটোকপি ও একটি পাসপোর্ট আকারের ছবি জমা দিলে তারা বিনামূল্যে একটি ফুয়েল কার্ড পাবেন। ৩০ ও ৩১ মার্চ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও প্রত্যেক উপজেলা কার্যালয়ে সকাল ৯ টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে কাগজপত্র

নো ফুয়েল কার্ড, নো পেট্রোল-অকটেন

সিরাজগঞ্জে ‘নো ফুয়েল কার্ড, নো পেট্রোল-অকটেন’ নীতি গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন। ফুয়েল কার্ড দেখিয়ে পেট্রোল পাম্প থেকে গ্রাহককে জ্বালানি তেল সংগ্রহ করতে হবে। তেল সরবরাহের সময় দেখা হবে কার্ডধারী ব্যক্তি আগে কত তারিখে ও কী পরিমাণ তেল নিয়েছেন। জ্বালানি তেলের সংকট মোকাবিলায় ১ এপ্রিল থেকে জেলায় এই নীতির বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে।

সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে জ্বালানি তেলের মজুত, পরিবহন ও বিপণন এবং ব্যবহারবিষয়ক এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তা, পেট্রোল পাম্প মালিক, রাজনৈতিক নেতা ও সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম জানান, পেট্রোল ও অকটেনের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার স্বার্থে মোটরসাইকেল মালিক-চালকদের জন্য ফুয়েল কার্ড চালু করা হচ্ছে। জাতীয় পরিচয়পত্র, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও গাড়ির নিবন্ধনের এক সেট ফটোকপি ও একটি পাসপোর্ট আকারের ছবি জমা দিলে তারা বিনামূল্যে একটি ফুয়েল কার্ড পাবেন। ৩০ ও ৩১ মার্চ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও প্রত্যেক উপজেলা কার্যালয়ে সকাল ৯ টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে কাগজপত্র জমা দিয়ে কার্ড সংগ্রহ করতে হবে।

জেলা প্রশাসক সভায় ঘোষণা দেন, জেলার ২৪টি পেট্রোল পাম্প একযোগে সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মজুত থাকা সাপেক্ষে পেট্রোল-অকটেন বিক্রি করবেন। রাত ৮টার পর শুধু ডিজেল সরবরাহের জন্য পাম্প খোলা থাকবে, যাতে কৃষিকাজে বিঘ্ন না ঘটে। পাম্পে যে শ্রমিকরা কাজ করেন, তাদের দ্বারা যেন কোনো রকমের অনিয়ম না হয়, সে বিষয়ে তিনি পাম্প মালিকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

ডিসি বলেন, কোনো গাড়ির চালক বা মালিক বোতল-কনটেইনারে করে তেল নিতে পারবেন না। যার তেলের প্রয়োজন, তিনি তার পরিবহন নিয়ে আসবেন। প্রয়োজন অনুযায়ী তেল সংগ্রহ করবেন।

এম এ মালেক/এসআর/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow