নোট অব ডিসেন্ট নিয়ে বিএনপি খোঁড়া যুক্তি দিচ্ছে: সুজন সম্পাদক বদিউল

জুলাই সনদে নোট অব ডিসেন্ট নিয়ে বিএনপি খোঁড়া যুক্তি দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার। তিনি বলেছেন, জুলাই জাতীয় সনদ নিয়ে যে গণভোট হলো সেটি জনগণ অনুমোদন করেছে। যা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করার কথা বলা হয়েছে তা নিয়ে গড়িমসি হচ্ছে। কতগুলো খোঁড়া যুক্তি দেওয়া হচ্ছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া অডিটোরিয়ামে ‘অধ্যাদেশ বাতিল এবং গণভোট অস্বীকারের রাজনীতি: সংসদীয় স্বৈরতন্ত্রের যুগে বাংলাদেশ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এসব কথা বলেন ড. বদিউল। সুজন সম্পাদক বলেন, যেমন একটা যুক্তি দিচ্ছে, এটা সংবিধানে নেই। কিন্তু আমরা যদি ১৯৯০ সালের দিকে তাকাই, বিচারপতি শাহাবুদ্দিন সাহেব যে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হয়েছিলেন সেটা কোন সংবিধানে ছিল এবং তিনি যে আবার ফেরত গেলেন সেটিই বা কোন সংবিধানে ছিল। এটার জন্য কি কোনো ঐক্যমত ছিল, হ্যাঁ ঐক্যমত ছিল কয়েকটা দলের মধ্যে। জাতীয় পার্টি তখন দল হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ হলেও এই ঐক্যমতের মধ্যে ছিল না। তিন জোটের রূপরেখার ভিত্তিতে এটি আনা হয়েছে। ওই রূপরেখা স্বাক্ষরিত ছিল না, কিন্তু এটা হয়ে গ

নোট অব ডিসেন্ট নিয়ে বিএনপি খোঁড়া যুক্তি দিচ্ছে: সুজন সম্পাদক বদিউল

জুলাই সনদে নোট অব ডিসেন্ট নিয়ে বিএনপি খোঁড়া যুক্তি দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার। তিনি বলেছেন, জুলাই জাতীয় সনদ নিয়ে যে গণভোট হলো সেটি জনগণ অনুমোদন করেছে। যা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করার কথা বলা হয়েছে তা নিয়ে গড়িমসি হচ্ছে। কতগুলো খোঁড়া যুক্তি দেওয়া হচ্ছে।

বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া অডিটোরিয়ামে ‘অধ্যাদেশ বাতিল এবং গণভোট অস্বীকারের রাজনীতি: সংসদীয় স্বৈরতন্ত্রের যুগে বাংলাদেশ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এসব কথা বলেন ড. বদিউল।

সুজন সম্পাদক বলেন, যেমন একটা যুক্তি দিচ্ছে, এটা সংবিধানে নেই। কিন্তু আমরা যদি ১৯৯০ সালের দিকে তাকাই, বিচারপতি শাহাবুদ্দিন সাহেব যে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হয়েছিলেন সেটা কোন সংবিধানে ছিল এবং তিনি যে আবার ফেরত গেলেন সেটিই বা কোন সংবিধানে ছিল। এটার জন্য কি কোনো ঐক্যমত ছিল, হ্যাঁ ঐক্যমত ছিল কয়েকটা দলের মধ্যে। জাতীয় পার্টি তখন দল হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ হলেও এই ঐক্যমতের মধ্যে ছিল না। তিন জোটের রূপরেখার ভিত্তিতে এটি আনা হয়েছে। ওই রূপরেখা স্বাক্ষরিত ছিল না, কিন্তু এটা হয়ে গেছে। কারণ জনগণের কল্যাণে প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো মনে করেছে এটা আমাদের জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে।

বদিউল আলম মজুমদার আরও বলেন, আরেকটা যুক্তি দেওয়া হয় যে ‘নোট অব ডিসেন্ট’। নোট অব ডিসেন্টটা কি? এটা তো মাইনরিটি ভিউ। সংখ্যালঘিষ্টের মতামত এই যে, ১৪ জনের সংসদীয় কমিটি হয়েছে, তার মধ্যে ১১ জন সরকারদলীয় আর তিনজন হলেন বিরোধীদলীয়। ঐক্যমত কমিশনে যে সিদ্ধান্ত হয়েছে সেটি মেজরিটি ভিউ আর ঐক্যমত কমিশনে যেগুলোতে নোট দেওয়া হয়েছে সেগুলো হলো মাইনরিটি ভিউ। মেজরিটি ভিউটাই গ্রহণযোগ্য, ওটাই সিদ্ধান্ত, ওটা নিয়েই গণভোট হয়েছে, ওটাই জনগণ অনুমোদন করেছে। এখন এসব খোঁড়া যুক্তি আমার কাছে বোধগম্য নয়।

তিনি আরও বলেন, আমাদের আবারও ঐক্য সৃষ্টি করতে হবে। ঐক্যের মাধ্যমেই কিন্তু আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারবো, ভালো অবস্থানের দিকে যেতে পারবো। আর তা না হলে কিন্তু আমরা আবারও সেই সংকটের দিকে যাব। যার ভয়াবহ পরিণতি শুধু জনগণকেই ভুগতে হবে না, ক্ষমতাসীন দল যারা আছে তারাও এর পরিণতি ভোগ করবে।

এনএস/এমএমকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow