নোয়াখালীতে বাড়ছে হামের সংক্রমণ, হাসপাতালে ভর্তি ৪২

নোয়াখালী জেলায় হামের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বেড়ে যাওয়ায় জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। গত দুই সপ্তাহে আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে, যার বেশিরভাগই শিশু। নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে বর্তমানে হামে আক্রান্ত ৪২ শিশু ভর্তি রয়েছে। প্রতিদিনই নতুন রোগী যুক্ত হচ্ছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) নতুন করে ৮ ভর্তি হয়েছে, একই দিনে চিকিৎসা শেষে ৮ শিশুকে বাড়িতে নেওয়া হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আক্রান্তদের মধ্যে ৭ শিশুকে আলাদা আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে। তারা হলেন সোনাইমুড়ীর মালিয়া, কবিরহাটের আরাফ, সদর উপজেলার মাহমুদ, জান্নাত, সুবর্ণচরের উল্লাহ, সদর উপজেলার রাফা ও কবিরহাটের সাদিকুর রহমান। বাকিদের ডায়রিয়া ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এদিকে, গুরুতর অবস্থায় এক শিশুকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে বলে জানা গেছে। রোগীর স্বজনরা অভিযোগ করেছেন, হাসপাতালে পর্যাপ্ত চিকিৎসা সেবা পাওয়া যাচ্ছে না। মাত্র কয়েকজনকে আলাদা ওয়ার্ডে রাখা হলেও অধিকাংশ রোগীকে ডায়রিয়া ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়ায় সংক্রমণ আরও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। হাসপাতালের আরএমও ডা. রাজিব আহমেদ চৌধুরী বলেন, প্রতিদিনই রোগীর সংখ্যা বাড়ছ

নোয়াখালীতে বাড়ছে হামের সংক্রমণ, হাসপাতালে ভর্তি ৪২

নোয়াখালী জেলায় হামের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বেড়ে যাওয়ায় জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। গত দুই সপ্তাহে আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে, যার বেশিরভাগই শিশু।

নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে বর্তমানে হামে আক্রান্ত ৪২ শিশু ভর্তি রয়েছে। প্রতিদিনই নতুন রোগী যুক্ত হচ্ছে।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) নতুন করে ৮ ভর্তি হয়েছে, একই দিনে চিকিৎসা শেষে ৮ শিশুকে বাড়িতে নেওয়া হয়েছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আক্রান্তদের মধ্যে ৭ শিশুকে আলাদা আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে। তারা হলেন সোনাইমুড়ীর মালিয়া, কবিরহাটের আরাফ, সদর উপজেলার মাহমুদ, জান্নাত, সুবর্ণচরের উল্লাহ, সদর উপজেলার রাফা ও কবিরহাটের সাদিকুর রহমান। বাকিদের ডায়রিয়া ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে, গুরুতর অবস্থায় এক শিশুকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

রোগীর স্বজনরা অভিযোগ করেছেন, হাসপাতালে পর্যাপ্ত চিকিৎসা সেবা পাওয়া যাচ্ছে না। মাত্র কয়েকজনকে আলাদা ওয়ার্ডে রাখা হলেও অধিকাংশ রোগীকে ডায়রিয়া ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়ায় সংক্রমণ আরও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

হাসপাতালের আরএমও ডা. রাজিব আহমেদ চৌধুরী বলেন, প্রতিদিনই রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। তবে আলাদা ওয়ার্ড, প্রয়োজনীয় ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও জনবল সংকটের কারণে চিকিৎসা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। অন্য ওয়ার্ডের চিকিৎসক ও নার্সদের অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow