নড়াইলে দুই গ্রামবাসীর তুমুল সংঘর্ষ
নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার জয়পুর ইউনিয়নের আমডাঙ্গা ও চাচই-ধানাইড় গ্রামের দীর্ঘদিনের পূর্ব বিরোধকে কেন্দ্র করে এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটেছে। সংঘর্ষে আমডাঙ্গা গ্রামের তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় চাচই-ধানাইড় গ্রামের কয়েকটি বাড়িতে ব্যাপক হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শনিবার (৩০ মে) উপজেলার জয়পুর ইউনিয়নে এ সংঘর্ষ ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে শনিবার সকালে চাচই-ধানাইড় গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে ইব্রাহিম ও নাফিজের সঙ্গে আমডাঙ্গা গ্রামের সরোয়ার ও আলমের বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে উভয়পক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হলে আমডাঙ্গা গ্রামের সরোয়ার, আলম ও জসিম গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এদিকে তিনজনের আহতের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। অভিযোগ রয়েছে, এর জের ধরে একদল লোক চাচই-ধানাইড় গ্রামের কয়েকটি বাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। এতে পাকা, আধাপাকা ও টিনশেড ঘরসহ একাধিক স্থাপনা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দাবি, হামলার সময় ঘরবাড়ি থেকে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও অন্
নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার জয়পুর ইউনিয়নের আমডাঙ্গা ও চাচই-ধানাইড় গ্রামের দীর্ঘদিনের পূর্ব বিরোধকে কেন্দ্র করে এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটেছে। সংঘর্ষে আমডাঙ্গা গ্রামের তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় চাচই-ধানাইড় গ্রামের কয়েকটি বাড়িতে ব্যাপক হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শনিবার (৩০ মে) উপজেলার জয়পুর ইউনিয়নে এ সংঘর্ষ ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে শনিবার সকালে চাচই-ধানাইড় গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে ইব্রাহিম ও নাফিজের সঙ্গে আমডাঙ্গা গ্রামের সরোয়ার ও আলমের বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে উভয়পক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হলে আমডাঙ্গা গ্রামের সরোয়ার, আলম ও জসিম গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এদিকে তিনজনের আহতের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। অভিযোগ রয়েছে, এর জের ধরে একদল লোক চাচই-ধানাইড় গ্রামের কয়েকটি বাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। এতে পাকা, আধাপাকা ও টিনশেড ঘরসহ একাধিক স্থাপনা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দাবি, হামলার সময় ঘরবাড়ি থেকে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও অন্যান্য মূল্যবান মালামাল লুট করা হয়েছে। তাদের ভাষ্যমতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক ৫০ লাখ টাকা।
সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনায় পুরো এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, অনেক পরিবার নিরাপত্তার কারণে নিজেদের বাড়িঘর ছেড়ে আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন গ্রামবাসী জানান, পুনরায় সংঘর্ষ ও পরবর্তী হামলার আশঙ্কায় তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। স্থানীয়দের দাবি, দুই গ্রামের মধ্যে পুরোনো বিভিন্ন বিরোধকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছিল এবং এর আগেও একাধিকবার দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটেছে।
লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুর রহমান জানান, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগগুলোও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বর্তমানে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।