নড়াইলে বজ্রপাতে নিহত ২

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় পৃথক দুটি স্থানে বজ্রপাতে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। একই ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন। শনিবার (৬ জুন) বিকেলে পৃথক দুটি ঘটনায় এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন-লোহাগড়া উপজেলার শালনগর ইউনিয়নের শালনগর গ্রামের মৃত মতি খানের ছেলে মো. টিটুল খাঁন এবং একই উপজেলার নলদী ইউনিয়নের মতিনগর গ্রামের বিল্লাল বিশ্বাসের ছেলে মো. বাবুল বিশ্বাস। আহত হয়েছেন একই গ্রামের মো. শহীদ শেখ। আহত শহিদ শেখ জানান, শনিবার সকাল ১০টার দিকে বাবুল বিশ্বাস ও তিনি বড়শি দিয়ে মাছ ধরতে ইছামতী বিলে যান। দিনভর মাছ ধরার পর বিকেল ৩টার দিকে হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হলে তারা পাশের একটি মৎস্যঘেরের পাড়ে আশ্রয় নেওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। এ সময় আকাশে মেঘের গর্জনের সঙ্গে বজ্রপাত শুরু হয়। এক পর্যায়ে একটি বজ্রপাত তাদের ওপর আঘাত হানে। বজ্রপাতের পর তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। প্রায় দুই ঘণ্টা পর বিকেল ৫টার দিকে তার জ্ঞান ফিরলে তিনি দেখতে পান একটু দুরে বাবুল বিশ্বাসের নিথর দেহ পড়ে রয়েছে। পরে তিনি পাশের একটি মৎস্যঘেরে গিয়ে লোকজনের সহায়তায় পরিবারের সদস্যদের খবর দেন। খবর পেয়ে স্বজনরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন। ঘটনাস্থলেই বাবু

নড়াইলে বজ্রপাতে নিহত ২

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় পৃথক দুটি স্থানে বজ্রপাতে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। একই ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন। শনিবার (৬ জুন) বিকেলে পৃথক দুটি ঘটনায় এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন-লোহাগড়া উপজেলার শালনগর ইউনিয়নের শালনগর গ্রামের মৃত মতি খানের ছেলে মো. টিটুল খাঁন এবং একই উপজেলার নলদী ইউনিয়নের মতিনগর গ্রামের বিল্লাল বিশ্বাসের ছেলে মো. বাবুল বিশ্বাস। আহত হয়েছেন একই গ্রামের মো. শহীদ শেখ।

আহত শহিদ শেখ জানান, শনিবার সকাল ১০টার দিকে বাবুল বিশ্বাস ও তিনি বড়শি দিয়ে মাছ ধরতে ইছামতী বিলে যান। দিনভর মাছ ধরার পর বিকেল ৩টার দিকে হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হলে তারা পাশের একটি মৎস্যঘেরের পাড়ে আশ্রয় নেওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। এ সময় আকাশে মেঘের গর্জনের সঙ্গে বজ্রপাত শুরু হয়। এক পর্যায়ে একটি বজ্রপাত তাদের ওপর আঘাত হানে।

বজ্রপাতের পর তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। প্রায় দুই ঘণ্টা পর বিকেল ৫টার দিকে তার জ্ঞান ফিরলে তিনি দেখতে পান একটু দুরে বাবুল বিশ্বাসের নিথর দেহ পড়ে রয়েছে। পরে তিনি পাশের একটি মৎস্যঘেরে গিয়ে লোকজনের সহায়তায় পরিবারের সদস্যদের খবর দেন। খবর পেয়ে স্বজনরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন। ঘটনাস্থলেই বাবুল বিশ্বাস মারা যান। বাবুল বিশ্বাস চার সন্তানের জনক ছিলেন। তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর শোকের সৃষ্টি হয়েছে।

অপরদিকে একই দিন দুপুর ৩টার দিকে টিটুল খান তার গরুকে পানি খাওয়ানোর জন্য মধুমতী নদীর চরে যান। সেখানে অবস্থানকালে হঠাৎ প্রবল বৃষ্টি ও বজ্রসহ মেঘের গর্জন শুরু হয়। স্থানীয়দের ধারণা, বজ্রপাত তার খুব কাছাকাছি স্থানে হয়েছে।

এতে তার কানের নিচের অংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। বৃষ্টি থেমে যাওয়ার পর স্থানীয় লোকজন নদীর চরে গিয়ে তাকে জমির মধ্যে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তার মৃত্যুর খবর দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। শত শত মানুষ ঘটনাস্থলে ভিড় করেন এবং শেষবারের মতো তাকে একনজর দেখতে আসেন। টিটুল খাঁন কৃষিকাজের পাশাপাশি গরু পালন করতেন। তিনি তিন সন্তানের জনক ছিলেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow