নড়াইলে বীর মুক্তিযোদ্ধাকে কুপিয়ে জখম

নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় জমি নিয়ে পূর্ব শত্রুতার জেরে এক বীর মুক্তিযোদ্ধাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। রবিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার ছোট কালিয়া গ্রামের সাইদের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত মুক্তিযোদ্ধার নাম কৃষ্ণপদ আর্চায্য (৭৩)। তিনি কালিয়া উপজেলার ছোট কালিয়া গ্রামের মৃত সন্তোষ আর্চায্যের ছেলে এবং কালিয়া পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর।অভিযুক্তরা একই গ্রামের আশিকুর রহমান সুমন (৪০), আকিবুর রহমান মিলন (৩৭), ওলিয়ার রহমানের ছেলে এবং মাহিদুল শেখ (৩৫), ফজর শেখের ছেলে।স্থানীয় ও স্বজনদের বরাতে জানা গেছে, রবিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে কৃষ্ণপদ কালিয়া বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে ছোট কালিয়া সাইদের দোকানের সামনে পৌঁছালে অভিযুক্ত সুমন, মিলন ও মাহিদুল তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় তাকে মাথা, হাত ও পায়ে কুপিয়ে এবং পিটিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মুঠোফোনে কৃষ্ণপদ আর্চায্য বলেন, "মনশ

নড়াইলে বীর মুক্তিযোদ্ধাকে কুপিয়ে জখম

নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় জমি নিয়ে পূর্ব শত্রুতার জেরে এক বীর মুক্তিযোদ্ধাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। রবিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার ছোট কালিয়া গ্রামের সাইদের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত মুক্তিযোদ্ধার নাম কৃষ্ণপদ আর্চায্য (৭৩)। তিনি কালিয়া উপজেলার ছোট কালিয়া গ্রামের মৃত সন্তোষ আর্চায্যের ছেলে এবং কালিয়া পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর।

অভিযুক্তরা একই গ্রামের আশিকুর রহমান সুমন (৪০), আকিবুর রহমান মিলন (৩৭), ওলিয়ার রহমানের ছেলে এবং মাহিদুল শেখ (৩৫), ফজর শেখের ছেলে।

স্থানীয় ও স্বজনদের বরাতে জানা গেছে, রবিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে কৃষ্ণপদ কালিয়া বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে ছোট কালিয়া সাইদের দোকানের সামনে পৌঁছালে অভিযুক্ত সুমন, মিলন ও মাহিদুল তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় তাকে মাথা, হাত ও পায়ে কুপিয়ে এবং পিটিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মুঠোফোনে কৃষ্ণপদ আর্চায্য বলেন, "মনশা মন্দিরের জমি ও আমার পৈতৃক জমি নিয়ে প্রতিবেশী ফজর শেখ ও ওলিয়ার রহমানের সঙ্গে মামলা চলছিল। সেই মামলার জের ধরে কাল বাজার থেকে ফেরার সময় আমাকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে হামলা চালানো হয়েছে। আমি তাদের বিরুদ্ধে মামলা করব এবং এর সঠিক বিচার চাই।"

এ বিষয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি। যে কারণে তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

কালিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইদ্রিস আলী বলেন, "খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।"

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow