নড়াইলে ব্ল্যাক রাইস চাষে রহমতের বাজিমাত

ইউটিউবে ভিডিও দেখে ব্ল্যাক রাইস চাষ করে সাফল্যের মুখ দেখেছেন নড়াইলের কালিয়া উপজেলার এক কৃষক। উপজেলার সালামাবাদ ইউনিয়নের জোকা গ্রামের রহমত আলী উত্তরাঞ্চল থেকে অনলাইনের মাধ্যমে এক কেজি ব্ল্যাক রাইস ধানের বীজ সংগ্রহ করে পরীক্ষামূলকভাবে চাষ শুরু করেন। তিনি প্রচলিত সাধারণ ধানের মতোই ১০ শতাংশ জমিতে চাষ করেন। চাষাবাদে তার মোট খরচ হয়েছে প্রায় ৪ থেকে সাড়ে ৪ হাজার টাকা, যা সাধারণ ধান চাষের মতোই। ব্যতিক্রমী এ উদ্যোগ এখন স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে। কৃষক রহমত আলী বলেন, ‌‘আমি ইউটিউব ও বিভিন্ন কৃষিভিত্তিক চ্যানেল দেখে ব্ল্যাক রাইস চাষে উৎসাহিত হই। পরে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ গ্রহণ করি। পরে উত্তরাঞ্চল থেকে অনলাইনে ব্ল্যাক রাইসের বীজ সংগ্রহ করে চাষ শুরু করি। ধানের ফলনও খুব ভালো হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘ব্লাক রাইস পুষ্টিগুণে ভরপুর এবং স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। এ কারণেই আমি এ ধান চাষে আগ্রহী হই। স্থানীয় অনেক কৃষক আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তারা আমার কাছ থেকে বীজ নিয়ে ব্ল্যাক রাইস চাষ শুরু করতে চান।’ আরও পড়ুনভিটামিন-ই সমৃদ্ধসহ

নড়াইলে ব্ল্যাক রাইস চাষে রহমতের বাজিমাত

ইউটিউবে ভিডিও দেখে ব্ল্যাক রাইস চাষ করে সাফল্যের মুখ দেখেছেন নড়াইলের কালিয়া উপজেলার এক কৃষক। উপজেলার সালামাবাদ ইউনিয়নের জোকা গ্রামের রহমত আলী উত্তরাঞ্চল থেকে অনলাইনের মাধ্যমে এক কেজি ব্ল্যাক রাইস ধানের বীজ সংগ্রহ করে পরীক্ষামূলকভাবে চাষ শুরু করেন। তিনি প্রচলিত সাধারণ ধানের মতোই ১০ শতাংশ জমিতে চাষ করেন। চাষাবাদে তার মোট খরচ হয়েছে প্রায় ৪ থেকে সাড়ে ৪ হাজার টাকা, যা সাধারণ ধান চাষের মতোই। ব্যতিক্রমী এ উদ্যোগ এখন স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে।

কৃষক রহমত আলী বলেন, ‌‘আমি ইউটিউব ও বিভিন্ন কৃষিভিত্তিক চ্যানেল দেখে ব্ল্যাক রাইস চাষে উৎসাহিত হই। পরে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ গ্রহণ করি। পরে উত্তরাঞ্চল থেকে অনলাইনে ব্ল্যাক রাইসের বীজ সংগ্রহ করে চাষ শুরু করি। ধানের ফলনও খুব ভালো হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ব্লাক রাইস পুষ্টিগুণে ভরপুর এবং স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। এ কারণেই আমি এ ধান চাষে আগ্রহী হই। স্থানীয় অনেক কৃষক আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তারা আমার কাছ থেকে বীজ নিয়ে ব্ল্যাক রাইস চাষ শুরু করতে চান।’

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম ব্ল্যাক রাইস ক্ষেত পরিদর্শন করে জানান, ১০ শতাংশ জমিতে প্রায় ৫ থেকে সাড়ে ৫ মণ ধান উৎপাদন হতে পারে। বাজারে প্রতি মণ ব্ল্যাক রাইস ধানের দাম সাড়ে ৪ হাজার থেকে সাড়ে ৫ হাজার টাকা। যা সাধারণ ধানের তুলনায় চার থেকে পাঁচ গুণ বেশি। এতে অল্প জমিতেই উল্লেখযোগ্য লাভের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

rice

কৃষক রহমত আলীর এ সাফল্যের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর আশপাশের বিভিন্ন এলাকার কৃষকেরাও তার জমি দেখতে ভিড় করছেন। অনেকেই ব্ল্যাক রাইস চাষে আগ্রহ প্রকাশ করছেন।

স্থানীয় এক কৃষক বলেন, ‘আমি শুনেছি যে এখানে ব্ল্যাক রাইস ধান চাষ করা হয়েছে। আমি দেখতে এসেছি। এ সম্পর্কে আমার টুকটাক ধারণা আছে। আমারও চাষ করার ইচ্ছা আছে। আমি এখান থেকে বীজ সংগ্রহ করে আগামীতে ব্ল্যাক রাইস ধান চাষ করবো।’

উপজেলা কৃষি বিভাগ জানায়, রহমত আলীর উৎপাদিত ধান থেকে বীজ সংগ্রহ করে এলাকায় এ নতুন ধানের চাষ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা আছে।

পুষ্টিবিদদের মতে, ‘ব্লাক রাইস শুধু উচ্চমূল্যের ফসলই নয়, এটি স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ। এতে আছে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। বিশেষ করে অ্যান্থোসায়ানিন, যা শরীরের কোষকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।’

হাফিজুল নিলু/এসইউ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow