পছন্দের দলের ব্যানার-ফেস্টুন বানানোর হিড়িক, শীর্ষে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা

ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ৪৮টি দেশ নিয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ফুটবল বিশ্বকাপ। ফুটবলের সর্ববৃহৎ এই আয়োজনকে সামনে রেখে মৌলভীবাজারে ডিজিটাল ব্যানার ও প্রিন্টিংয়ের দোকানগুলোতে বেড়েছে ব্যস্ততা। বিশেষ করে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল সমর্থকরা ব্যানার-ফেস্টুন বানানোর জন্য ভিড় করছেন এসব দোকানে। ফুটবল সমর্থকরা জানান, আর মাত্র কয়েকদিন পর শুরু হতে যাচ্ছে ফুটবল বিশ্বকাপ। হাজার কিলোমিটার দূরে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হলেও উন্মাদনার একটুও কমতি নেই মৌলভীবাজারের পাড়া-মহল্লা থেকে শুরু করে শহরে অঞ্চলে। নিজ নিজ পছন্দের দলকে সমর্থন জানিয়ে তৈরি করছেন ছবি সম্বলিত ব্যানার-ফেস্টুন। এগুলো আবার টাঙানো হচ্ছে শহর বা গ্রামের বাজারের বিশেষ বিশেষ জায়গায়। বিশেষ করে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার সমর্থকরা বড় বড় ব্যানার তৈরি করতে ভিড় জমাচ্ছেন ডিজিটাল প্রিন্টিংয়ের দোকানে। ব্যবসায়ীরা অনেক উৎসাহ নিয়ে ব্যানার তৈরির কাজ করছেন। ডিজিটাল ব্যানার ও প্রিন্টিংয়ের দোকানে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত এক সপ্তাহ ধরে প্রচুর কাজ আসছে। নিজ দলকে সমর্থন জানিয়ে বড় বড় ব্যানার বানানো হচ্ছে। বেশিরভাগ ব্যানার ২০-২৫ ফুট লম্বা। আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল সমর্থকরা

পছন্দের দলের ব্যানার-ফেস্টুন বানানোর হিড়িক, শীর্ষে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা

ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ৪৮টি দেশ নিয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ফুটবল বিশ্বকাপ। ফুটবলের সর্ববৃহৎ এই আয়োজনকে সামনে রেখে মৌলভীবাজারে ডিজিটাল ব্যানার ও প্রিন্টিংয়ের দোকানগুলোতে বেড়েছে ব্যস্ততা। বিশেষ করে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল সমর্থকরা ব্যানার-ফেস্টুন বানানোর জন্য ভিড় করছেন এসব দোকানে।

ফুটবল সমর্থকরা জানান, আর মাত্র কয়েকদিন পর শুরু হতে যাচ্ছে ফুটবল বিশ্বকাপ। হাজার কিলোমিটার দূরে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হলেও উন্মাদনার একটুও কমতি নেই মৌলভীবাজারের পাড়া-মহল্লা থেকে শুরু করে শহরে অঞ্চলে। নিজ নিজ পছন্দের দলকে সমর্থন জানিয়ে তৈরি করছেন ছবি সম্বলিত ব্যানার-ফেস্টুন। এগুলো আবার টাঙানো হচ্ছে শহর বা গ্রামের বাজারের বিশেষ বিশেষ জায়গায়। বিশেষ করে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার সমর্থকরা বড় বড় ব্যানার তৈরি করতে ভিড় জমাচ্ছেন ডিজিটাল প্রিন্টিংয়ের দোকানে। ব্যবসায়ীরা অনেক উৎসাহ নিয়ে ব্যানার তৈরির কাজ করছেন।

ডিজিটাল ব্যানার ও প্রিন্টিংয়ের দোকানে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত এক সপ্তাহ ধরে প্রচুর কাজ আসছে। নিজ দলকে সমর্থন জানিয়ে বড় বড় ব্যানার বানানো হচ্ছে। বেশিরভাগ ব্যানার ২০-২৫ ফুট লম্বা। আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল সমর্থকরা সবচেয়ে বেশি ব্যানার-ফেস্টুন তৈরি করছেন। কে কত বড় ব্যানার তৈরি করবেন, এ নিয়ে অনেক সময় সমর্থকদের মাঝে প্রতিযোগিতা শুরু হয়। বিশ্বকাপ উপলক্ষে ব্যবসায়ীদের মাঝেও উৎসাহ দেখা দিয়েছে। অনেকেই রাত জেগে ব্যানার প্রিন্টের কাজ করছেন।

পছন্দের দলের ব্যানার-ফেস্টুন বানানোর হিড়িক, শীর্ষে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ফুটবল বিশ্বকাপ যত ঘনিয়ে আসছে কাজের চাপ ততই বাড়ছে। বিশেষ করে ব্রাজিল- আর্জেন্টিনার সমর্থকরা মেসি-নেইমারের ছবি বসিয়ে ব্যানার তৈরি করছেন। পাশাপাশি নিজেদের ছবিও বসাচ্ছেন তারা। একটি ব্যানারে কমপক্ষে ৮-১০ জনের ছবি লাগানো হয়। কেউ ব্যানার ফ্রেম করে নেন আবার অনেকে নিজেরাই ফ্রেম করে টাঙান।

রাহিন আহমেদ ও সুহান আহমেদ নামের দুই ব্রাজিল সমর্থক ডিজিটাল ব্যানার বানাতে এসে বলেন, ‌‘আমাদের মেসেঞ্জার গ্রুপ আছে। এই গ্রুপে আমাদের এলাকার প্রায় ১০০ জন আছেন। আমরা সবাই টাকা তুলে ১০০ ফুট লম্বা ব্যানার তৈরি করছি। প্রতিটি ব্যানার ২০ ফুট লম্বা। ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষে ব্রাজিল দলকে সমর্থন জানিয়ে আমাদের এই আয়োজন।’

পছন্দের দলের ব্যানার-ফেস্টুন বানানোর হিড়িক, শীর্ষে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা

ইমরান আলী ও সজিব আহমেদ আর্জেন্টিনার সমর্থক। তারা জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমরা ১৪ জন বন্ধু মিলে আর্জেন্টিনার সমর্থনে ব্যানার বানাচ্ছি। আমাদের এলাকায় সমর্থন ও শুভ কামনা জানিয়ে অনেক ব্যানার বানানো হয়েছে। এলাকার ছোট-বড় সবার মাঝে ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে।’

কথা হয় জেলার ডিজিটাল সাইন ও প্রিন্টিং ব্যবসায়ী ফরিদ আহমেদ ও সালমান মিয়ার সঙ্গে। তারা বলেন, ‘নির্বাচন বা যে কোনো ঈদের মতো ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষে আমাদের ব্যবসা হচ্ছে। প্রতিদিন অনেক তরুণ তাদের ছবি ও নিজ দলের তারকা খেলোয়াড়ের ছবি দিয়ে ব্যানার তৈরির জন্য আসেন। কম্পিউটারের পাশে বসে নিজ পছন্দমতো ডিজাইন করে ব্যানার বানাচ্ছেন ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকরা। আমরাও সারাদিনের পাশাপাশি রাত জেগে কাজ করছি।’

মাহিদুল ইসলাম/এসআর/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow