পটুয়াখালী বিশ্ববিদ্যালয়ে পশুপালন-পশুচিকিৎসা দুটি কোর্সই চলবে

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পশুপালন (অ্যানিমেল হাজব্যান্ড্রি) ও পশুচিকিৎসা (ভেটেরিনারি) কোর্স চলমান থাকবে বলে আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এই আদেশের ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা পশুপালন ও পশুচিকিৎসা উভয় কোর্সই সম্পন্ন করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।   মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার ও বিচারপতি উর্মি রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রায় দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার এম. বদরুদ্দোজা বাদল। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম শামীম ও অ্যাডভোকেট আজহারুল ইসলাম চৌধুরী।আইনজীবী ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল বলেন, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) অনুমোদনে ২০১১ সাল থেকে পশুপালন ও পশুচিকিৎসা– এই দুই বিষয়ে আলাদা আলাদা ডিগ্রি প্রদান করা হতো। এই দুই বিষয়ের ডিগ্রিধারীদের মধ্যে দ্বন্দ্ব থাকায় ২০১১ সালে ইউজিসিতে একজন পশুচিকিৎসা বিষয়ের ডিগ্রিধারী সদস্য হিসেবে যোগদান করার পর তার প্রভাবে কমিশন ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে পশুপালন ডিগ্রির অনুমোদন বাতিল করে। ব্যারিস্টার

পটুয়াখালী বিশ্ববিদ্যালয়ে পশুপালন-পশুচিকিৎসা দুটি কোর্সই চলবে
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পশুপালন (অ্যানিমেল হাজব্যান্ড্রি) ও পশুচিকিৎসা (ভেটেরিনারি) কোর্স চলমান থাকবে বলে আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এই আদেশের ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা পশুপালন ও পশুচিকিৎসা উভয় কোর্সই সম্পন্ন করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
 
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার ও বিচারপতি উর্মি রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রায় দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার এম. বদরুদ্দোজা বাদল। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম শামীম ও অ্যাডভোকেট আজহারুল ইসলাম চৌধুরী।

আইনজীবী ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল বলেন, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) অনুমোদনে ২০১১ সাল থেকে পশুপালন ও পশুচিকিৎসা– এই দুই বিষয়ে আলাদা আলাদা ডিগ্রি প্রদান করা হতো। এই দুই বিষয়ের ডিগ্রিধারীদের মধ্যে দ্বন্দ্ব থাকায় ২০১১ সালে ইউজিসিতে একজন পশুচিকিৎসা বিষয়ের ডিগ্রিধারী সদস্য হিসেবে যোগদান করার পর তার প্রভাবে কমিশন ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে পশুপালন ডিগ্রির অনুমোদন বাতিল করে।

ব্যারিস্টার বাদল আরও জানান, পরবর্তীতে ওই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা রিট করেন এবং হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগে তাদের পক্ষে রায় পাওয়ায় তখন থেকেই উভয় বিষয় চলমান থাকে। কিন্তু জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভেটেরিনারি ডিগ্রি হোল্ডার একজন উপাচার্য (ভিসি) পদে যোগদান করে উভয় বিষয় বাতিল (অ্যাবোলিশ) করে নতুনভাবে দুই বিষয় এক করে ‘কম্বাইন্ড ডিগ্রি’ চালু করেন।
 
এ অবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয়ের দুজন ছাত্র, অভিভাবক, অ্যালামনাই ও পশুপালন অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। রিটের শুনানি শেষে আদালত আগের সিদ্ধান্ত বাতিল করে পশুপালন, পশুচিকিৎসা ও কম্বাইন্ড ডিগ্রি– তিনটি ডিগ্রিই চলমান রাখার আদেশ প্রদান করেন। এর ফলে চলমান সকল ছাত্রছাত্রী পশুপালন ও পশুচিকিৎসা উভয় কোর্সই সম্পন্ন করার সুযোগ পাবেন।
 
এফএইচ/বিএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow