পদ পাওয়ার পরদিনই অব্যাহতি চাইলেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা

জামালপুর শাখার সরিষাবাড়ী উপজেলা ছাত্রলীগের তিন মাস মেয়াদি ১৩১ সদস্যবিশিষ্ট নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণার পরদিনই অব্যাহতি চেয়েছেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের এক নেতা। ​শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাতে জামালপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি খাবীরুল ইসলাম খান ও সাধারণ সম্পাদক নাফিউল করিমের যৌথ স্বাক্ষরে এই নতুন কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। জানা গেছে, অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করা ওই নেতার নাম মনিরুজ্জামান আজগর। তিনি সরিষাবাড়ী উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক পদ পেয়েছিলেন।   ​বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও বেগবান ও সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে সরিষাবাড়ী উপজেলা ছাত্রলীগের পূর্ববর্তী মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি বিলুপ্ত করে আগামী তিন মাসের জন্য ১৩১ সদস্যের এই নতুন আহ্বায়ক কমিটি দেওয়া হয়েছে। নবগঠিত কমিটিতে হৃদয় হাসান লাবলু আহ্বায়ক এবং সজীব হাসান লেমনকে সদস্য সচিব করা হয়। ​তবে কমিটি প্রকাশের পরদিনই, শনিবার (১ আগস্ট) কমিটির অন্য এক যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান আজগর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর অব্যাহতি চেয়ে তার লিখিত আবেদন জমা দেন।  ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মনিরুজ্জামান আজগর বলেন, ‘ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও শিক্ষাজনি

পদ পাওয়ার পরদিনই অব্যাহতি চাইলেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা

জামালপুর শাখার সরিষাবাড়ী উপজেলা ছাত্রলীগের তিন মাস মেয়াদি ১৩১ সদস্যবিশিষ্ট নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণার পরদিনই অব্যাহতি চেয়েছেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের এক নেতা।

​শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাতে জামালপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি খাবীরুল ইসলাম খান ও সাধারণ সম্পাদক নাফিউল করিমের যৌথ স্বাক্ষরে এই নতুন কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

জানা গেছে, অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করা ওই নেতার নাম মনিরুজ্জামান আজগর। তিনি সরিষাবাড়ী উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক পদ পেয়েছিলেন।  

​বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও বেগবান ও সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে সরিষাবাড়ী উপজেলা ছাত্রলীগের পূর্ববর্তী মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি বিলুপ্ত করে আগামী তিন মাসের জন্য ১৩১ সদস্যের এই নতুন আহ্বায়ক কমিটি দেওয়া হয়েছে। নবগঠিত কমিটিতে হৃদয় হাসান লাবলু আহ্বায়ক এবং সজীব হাসান লেমনকে সদস্য সচিব করা হয়।

​তবে কমিটি প্রকাশের পরদিনই, শনিবার (১ আগস্ট) কমিটির অন্য এক যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান আজগর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর অব্যাহতি চেয়ে তার লিখিত আবেদন জমা দেন। 

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মনিরুজ্জামান আজগর বলেন, ‘ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও শিক্ষাজনিত কারণে আমি এই পদে দায়িত্ব পালন করতে পারছি না। তাই স্বেচ্ছায় অব্যাহতি চেয়ে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর আবেদনপত্র জমা দিয়েছি।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow