পদ হারালেন তুরস্কের বিরোধী দলের প্রধান
তুরস্কের প্রধান বিরোধী দল রিপাবলিকান পিপলস পার্টির (সিএইচপি) প্রধান ওজগুর ওজেল পদ হারিয়েছেন। দেশটির একটি আদালত তার নেতৃত্ব বাতিল করেছে। এটিকে বিরোধী রাজনীতির ওপর চাপ আরও বাড়ার একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত দলীয় নেতৃত্ব নির্বাচনে বর্তমান দলীয় প্রধান ওজগুর ওজেল নির্বাচিত হয়েছিলেন। বৃহস্পতিবারের এই রায়ে সেই নির্বাচন বাতিল করা হয়েছে। ওজেলের কাছে হেরে যাওয়া আগের দলীয় প্রধান কেমাল কিলিচদারওলু অন্তর্বর্তী নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বলে আদালত জানিয়েছেন। সিএইচপি এই রায়কে অভ্যুত্থানের চেষ্টা বলে অভিহিত করেছে। অন্যদিকে সরকার বলেছে, তারা আদালতের স্বাধীনতার প্রতি আস্থা রাখে এবং এই রায় আইনের শাসনের প্রতি জনগণের বিশ্বাস পুনরুদ্ধার করবে। ধর্মনিরপেক্ষ ও মধ্যপন্থি সিএইচপি সাম্প্রতিক জরিপে এরদোয়ানের ইসলামপন্থি ও রক্ষণশীল ক্ষমতাসীন দল একে পার্টির সঙ্গে প্রায় সমান অবস্থানে রয়েছে। ২০২৪ সাল থেকে দলটির বিরুদ্ধে ব্যাপক বিচারিক অভিযান চলছে। এসব অভিযানে শত শত সদস্য ও নির্বাচিত প্রতিনিধিকে দুর্ন
তুরস্কের প্রধান বিরোধী দল রিপাবলিকান পিপলস পার্টির (সিএইচপি) প্রধান ওজগুর ওজেল পদ হারিয়েছেন। দেশটির একটি আদালত তার নেতৃত্ব বাতিল করেছে। এটিকে বিরোধী রাজনীতির ওপর চাপ আরও বাড়ার একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত দলীয় নেতৃত্ব নির্বাচনে বর্তমান দলীয় প্রধান ওজগুর ওজেল নির্বাচিত হয়েছিলেন। বৃহস্পতিবারের এই রায়ে সেই নির্বাচন বাতিল করা হয়েছে। ওজেলের কাছে হেরে যাওয়া আগের দলীয় প্রধান কেমাল কিলিচদারওলু অন্তর্বর্তী নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বলে আদালত জানিয়েছেন।
সিএইচপি এই রায়কে অভ্যুত্থানের চেষ্টা বলে অভিহিত করেছে। অন্যদিকে সরকার বলেছে, তারা আদালতের স্বাধীনতার প্রতি আস্থা রাখে এবং এই রায় আইনের শাসনের প্রতি জনগণের বিশ্বাস পুনরুদ্ধার করবে।
ধর্মনিরপেক্ষ ও মধ্যপন্থি সিএইচপি সাম্প্রতিক জরিপে এরদোয়ানের ইসলামপন্থি ও রক্ষণশীল ক্ষমতাসীন দল একে পার্টির সঙ্গে প্রায় সমান অবস্থানে রয়েছে। ২০২৪ সাল থেকে দলটির বিরুদ্ধে ব্যাপক বিচারিক অভিযান চলছে। এসব অভিযানে শত শত সদস্য ও নির্বাচিত প্রতিনিধিকে দুর্নীতির অভিযোগে আটক করা হয়েছে। যদিও দলটি এসব অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অস্বীকার করে আসছে।
আটক ব্যক্তিদের মধ্যে এরদোয়ানের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী এবং সিএইচপির প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত ইস্তাম্বুলের মেয়র একরেম ইমামওলুও রয়েছেন। তিনি ২০২৮ সালের নির্বাচনের জন্য মনোনীত হয়েছেন। তবে এর আগেই নির্বাচন হতে পারে।
ইমামওলুর গ্রেপ্তারের পর দলীয় নেতৃত্বে আরও প্রভাবশালী হয়ে ওঠেন ওজেল। তিনি আদালতের রায়ের পর দলের শীর্ষ নেতাদের জরুরি বৈঠক ডাকেন এবং প্রতিবাদের প্রস্তুতির কথা জানান। সিএইচপির উপ-সংসদীয় নেতা আলি মাহির বসারি বলেন, এই রায় বিচার ব্যবস্থার মাধ্যমে সংঘটিত একটি অভ্যুত্থানের চেষ্টা এবং বিপুল কর্মী-সমর্থকদের ইচ্ছার ওপর আঘাত। এর দায়ীদের আদালতের কাঠগড়ায় জবাবদিহি করতে হবে।
What's Your Reaction?