পরনের কাপড় ছাড়া কিছুই রইল না, সব পুড়ে ছাই
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের পৌরসদরে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পাঁচটি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এ সময় পরনের কাপড় ছাড়া কিছুই রক্ষা করতে পারেননি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের লোকজন।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে পৌরসভার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পশ্চিম পাশে আমিরাবাদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুন লেগে যায়। মুহূর্তেই আগুনের লেলিহান শিখা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এতে একে একে পাঁচটি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। খবর পেয়ে সীতাকুণ্ড ফায়ার সার্ভিসে তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে দুই ঘন্টা চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ ঘটনায় প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারে।
স্থানীয় বাসিন্দা শহিদুল ইসলাম বলেন, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুন লেগে তা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। ঘরের ভিতরে থাকা সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পরনের কাপড় ছাড়া কিছুই নেই।
সীতাকুণ্ড ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন লিডার আহাম্মেদ হুসাইন বলেন, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের পৌরসদরে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পাঁচটি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এ সময় পরনের কাপড় ছাড়া কিছুই রক্ষা করতে পারেননি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের লোকজন।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে পৌরসভার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পশ্চিম পাশে আমিরাবাদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুন লেগে যায়। মুহূর্তেই আগুনের লেলিহান শিখা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এতে একে একে পাঁচটি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। খবর পেয়ে সীতাকুণ্ড ফায়ার সার্ভিসে তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে দুই ঘন্টা চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ ঘটনায় প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারে।
স্থানীয় বাসিন্দা শহিদুল ইসলাম বলেন, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুন লেগে তা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। ঘরের ভিতরে থাকা সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পরনের কাপড় ছাড়া কিছুই নেই।
সীতাকুণ্ড ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন লিডার আহাম্মেদ হুসাইন বলেন, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছে। কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে তা এখনো নিশ্চিত হতে পারিনি। ক্ষতির পরিমাণও জানা যায়নি। পাঁচটি ঘরের সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।