পরাজয়ের পর স্তব্ধ ইংল্যান্ড, সংবাদপত্রজুড়ে শুধু হতাশা
বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন থেকে মাত্র কয়েক মিনিট দূরে ছিল ইংল্যান্ড; কিন্তু শেষ পর্যন্ত লিওনেল মেসির জাদু, এনজো ফার্নান্দেজের সমতা ফেরানো গোল এবং লাউতারো মার্তিনেজের যোগ করা সময়ের বিজয়সূচক আঘাতে ২-১ ব্যবধানে হেরে বিদায় নিতে হয়েছে থ্রি লায়ন্সদের। আর সেই পরাজয়ের পর বৃহস্পতিবার সকালে ইংল্যান্ডের সংবাদপত্রের স্টলগুলো যেন হয়ে উঠেছে এক জাতির শোকের প্রতিচ্ছবি। টেলিগ্রাফ, ডেইলি মিরর, দ্য গার্ডিয়ানসহ প্রায় সব জাতীয় পত্রিকার প্রথম পাতাজুড়েই জায়গা পেয়েছে হ্যারি কেইন, জুদ বেলিংহ্যাম ও ইংলিশ ফুটবলারদের অশ্রুসিক্ত মুখ। কোথাও শিরোনাম ‘পৃথিবীর শেষ’, কোথাও ‘যন্ত্রণা, কারণ আমাদের অপেক্ষা দীর্ঘায়িত হচ্ছে’, আবার কোথাও ‘যে রাতে ভেঙে গেল আমাদের শেষ স্বপ্ন।’ সবচেয়ে আলোচিত শিরোনামগুলোর একটি ছিল ‘কেইনড বাই মেসি’- যেখানে মেসির নেতৃত্বে ইংল্যান্ডের স্বপ্নভঙ্গের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে হ্যারি কেইনকে। অন্য একটি পত্রিকায় বেলিংহ্যামের মাথায় হাত দিয়ে বসে থাকার ছবি ছাপিয়ে লেখা হয়েছে ‘বিধ্বস্ত’। আবার ‘ওয়ান্ডারবাউল’ শিরোনামে ব্যঙ্গাত্মকভাবে তুলে ধরা হয়েছে ইংল্যান্ডের আরেকটি অপূর্ণ স্বপ্ন। শুধু ম্যাচের হার নয়, ১৯৬৬ সালে
বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন থেকে মাত্র কয়েক মিনিট দূরে ছিল ইংল্যান্ড; কিন্তু শেষ পর্যন্ত লিওনেল মেসির জাদু, এনজো ফার্নান্দেজের সমতা ফেরানো গোল এবং লাউতারো মার্তিনেজের যোগ করা সময়ের বিজয়সূচক আঘাতে ২-১ ব্যবধানে হেরে বিদায় নিতে হয়েছে থ্রি লায়ন্সদের। আর সেই পরাজয়ের পর বৃহস্পতিবার সকালে ইংল্যান্ডের সংবাদপত্রের স্টলগুলো যেন হয়ে উঠেছে এক জাতির শোকের প্রতিচ্ছবি।
টেলিগ্রাফ, ডেইলি মিরর, দ্য গার্ডিয়ানসহ প্রায় সব জাতীয় পত্রিকার প্রথম পাতাজুড়েই জায়গা পেয়েছে হ্যারি কেইন, জুদ বেলিংহ্যাম ও ইংলিশ ফুটবলারদের অশ্রুসিক্ত মুখ। কোথাও শিরোনাম ‘পৃথিবীর শেষ’, কোথাও ‘যন্ত্রণা, কারণ আমাদের অপেক্ষা দীর্ঘায়িত হচ্ছে’, আবার কোথাও ‘যে রাতে ভেঙে গেল আমাদের শেষ স্বপ্ন।’
সবচেয়ে আলোচিত শিরোনামগুলোর একটি ছিল ‘কেইনড বাই মেসি’- যেখানে মেসির নেতৃত্বে ইংল্যান্ডের স্বপ্নভঙ্গের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে হ্যারি কেইনকে। অন্য একটি পত্রিকায় বেলিংহ্যামের মাথায় হাত দিয়ে বসে থাকার ছবি ছাপিয়ে লেখা হয়েছে ‘বিধ্বস্ত’। আবার ‘ওয়ান্ডারবাউল’ শিরোনামে ব্যঙ্গাত্মকভাবে তুলে ধরা হয়েছে ইংল্যান্ডের আরেকটি অপূর্ণ স্বপ্ন।
শুধু ম্যাচের হার নয়, ১৯৬৬ সালের পর প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের অপেক্ষা আরও দীর্ঘ হওয়াই যেন সবচেয়ে বড় আক্ষেপ হয়ে উঠেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের ভাষ্যে। অনেক প্রতিবেদনে ১৯৮২ সালের ফকল্যান্ড যুদ্ধের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এবং আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ফুটবল বৈরিতার কথাও নতুন করে উঠে এসেছে।
ম্যাচ শেষে ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেইন বলেন, ‘আমরা বিধ্বস্ত। ফাইনাল থেকে মাত্র ১০ মিনিট দূরে ছিলাম, কিন্তু শেষটা আমাদের মতো হয়নি।’
এর আগে আর্জেন্টিনার সমালোচনায় যেন মুখর ছিল ইংলিশ গণমাধ্যমগুলো। এক রাতেই ইংল্যান্ডের সংবাদপত্রের ভাষা বদলে গেছে। আশার জায়গা নিয়েছে হতাশা, স্বপ্নের জায়গা নিয়েছে শোক। যেন ফুটবল-উন্মাদ একটি দেশের সকালের কাগজে একটাই শোক বার্তা, এক জাতির শোকের প্রতিচ্ছবি।
টিটিটি/আইএইচএস
What's Your Reaction?