পরিত্যক্ত চালের ড্রাম থেকে ৮ কেজি ভারতীয় গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে পরিত্যক্ত চালের ড্রাম থেকে ৮ কেজি ভারতীয় গাঁজাসহ জসিম উদ্দিন (২৪) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ। আটক ওই ব্যক্তি পাথরডুবি ইউনিয়নের থানাঘাট বাজার এলাকার কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী সুজা মিয়ার ছেলে।পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন ও উপপরিদর্শক জাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল উপজেলার পাথরডুবি ইউনিয়নের থানাঘাট এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী সুজন আলীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তার বাড়ির পেছনে কাঠখড়ির ঘরে একটি পরিত্যক্ত চালের ড্রাম থেকে ৮ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার করে। এ সময় গাঁজা পাহারা দেওয়ার কাজে নিযুক্ত জসিম (২৪)-কে গাঁজা বিক্রির নগদ ৮ হাজার টাকা সহ গ্রেপ্তার করা হয়।ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন জানিয়েছেন, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।তিনি আরও জানান, উপজেলাটি তিন দিকে ভারত বেষ্টিত হওয়ায় এখানে মাদক চোরাচালান একটু বেশি। মাদক চোরাকারবারিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে।
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে পরিত্যক্ত চালের ড্রাম থেকে ৮ কেজি ভারতীয় গাঁজাসহ জসিম উদ্দিন (২৪) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ। আটক ওই ব্যক্তি পাথরডুবি ইউনিয়নের থানাঘাট বাজার এলাকার কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী সুজা মিয়ার ছেলে।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন ও উপপরিদর্শক জাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল উপজেলার পাথরডুবি ইউনিয়নের থানাঘাট এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী সুজন আলীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তার বাড়ির পেছনে কাঠখড়ির ঘরে একটি পরিত্যক্ত চালের ড্রাম থেকে ৮ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার করে। এ সময় গাঁজা পাহারা দেওয়ার কাজে নিযুক্ত জসিম (২৪)-কে গাঁজা বিক্রির নগদ ৮ হাজার টাকা সহ গ্রেপ্তার করা হয়।
ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন জানিয়েছেন, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
তিনি আরও জানান, উপজেলাটি তিন দিকে ভারত বেষ্টিত হওয়ায় এখানে মাদক চোরাচালান একটু বেশি। মাদক চোরাকারবারিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে।
What's Your Reaction?