পরিবারে কোলেস্টেরলের ইতিহাস আছে? তাহলে কী খাবেন, কী খাবেন না

আজ সুস্থ আছেন বলে যে ভবিষ্যতেও কোলেস্টেরল নিয়ে চিন্তা থাকবে না, তা কিন্তু নয়। সাধারণত অল্প বয়সে কোলেস্টেরলের সমস্যা খুব একটা চোখে পড়ে না। কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই ঝুঁকিও বাড়তে থাকে। বিশেষ করে পরিবারে যদি আগে থেকেই উচ্চ কোলেস্টেরলের ইতিহাস থাকে, তাহলে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য সেই আশঙ্কা আরও বেশি। চিকিৎসকদের মতে, জিনগত কারণে কোলেস্টেরলের ঝুঁকি থাকলে আগেভাগেই খাদ্যাভ্যাসে সচেতন হওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ পথ। কী খাবেন, কী খাবেন না— এই ছোট ছোট সিদ্ধান্তই ভবিষ্যতে হৃদ্‌রোগসহ নানা জটিলতা থেকে আপনাকে দূরে রাখতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে কোন খাবারগুলো আপনার পাতে থাকা জরুরি আর কোনগুলো এড়িয়ে চলাই ভালো। গুড কোলেস্টেরল বাড়ায় যে খাবার যেসব খাবারে গুড কোলেস্টেরল (HDL) এবং ভিটামিন বি১২-এর পরিমাণ বেশি, সেগুলো বেশি করে খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। সাধারণত ভূমধ্যসাগরীয় ডায়েট বা মেডিটেরানিয়ান ডায়েটে এসব উপাদান পাওয়া যায়। অলিভ অয়েল, বিভিন্ন ধরনের বাদাম ও বীজ নিয়মিত খেলে কোলেস্টেরলের সমস্যার আশঙ্কা অনেকটাই কমে। রেড মিট ও ভাজাভুজিতে লাগাম রেড মিট যতটা সম্ভব কমিয়ে ফেলা উ

পরিবারে কোলেস্টেরলের ইতিহাস আছে? তাহলে কী খাবেন, কী খাবেন না

আজ সুস্থ আছেন বলে যে ভবিষ্যতেও কোলেস্টেরল নিয়ে চিন্তা থাকবে না, তা কিন্তু নয়। সাধারণত অল্প বয়সে কোলেস্টেরলের সমস্যা খুব একটা চোখে পড়ে না। কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই ঝুঁকিও বাড়তে থাকে। বিশেষ করে পরিবারে যদি আগে থেকেই উচ্চ কোলেস্টেরলের ইতিহাস থাকে, তাহলে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য সেই আশঙ্কা আরও বেশি।

চিকিৎসকদের মতে, জিনগত কারণে কোলেস্টেরলের ঝুঁকি থাকলে আগেভাগেই খাদ্যাভ্যাসে সচেতন হওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ পথ। কী খাবেন, কী খাবেন না— এই ছোট ছোট সিদ্ধান্তই ভবিষ্যতে হৃদ্‌রোগসহ নানা জটিলতা থেকে আপনাকে দূরে রাখতে পারে।

চলুন জেনে নেওয়া যাক, কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে কোন খাবারগুলো আপনার পাতে থাকা জরুরি আর কোনগুলো এড়িয়ে চলাই ভালো।

গুড কোলেস্টেরল বাড়ায় যে খাবার

যেসব খাবারে গুড কোলেস্টেরল (HDL) এবং ভিটামিন বি১২-এর পরিমাণ বেশি, সেগুলো বেশি করে খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। সাধারণত ভূমধ্যসাগরীয় ডায়েট বা মেডিটেরানিয়ান ডায়েটে এসব উপাদান পাওয়া যায়। অলিভ অয়েল, বিভিন্ন ধরনের বাদাম ও বীজ নিয়মিত খেলে কোলেস্টেরলের সমস্যার আশঙ্কা অনেকটাই কমে।

রেড মিট ও ভাজাভুজিতে লাগাম

রেড মিট যতটা সম্ভব কমিয়ে ফেলা উচিত। কারণ এটি শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। একই সঙ্গে অতিরিক্ত তেলে ভাজা খাবার বা ভাজাভুজির পরিমাণও কমাতে হবে। এসব খাবার কোলেস্টেরলের পাশাপাশি হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্যও ঝুঁকিপূর্ণ।

দিনের শুরু হোক ওটস দিয়ে

সকালবেলার জলখাবারে ওটস রাখার অভ্যাস গড়ে তুলুন। ওটস শরীর ভালো রাখতে সাহায্য করে এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতেও কার্যকর। চাইলে ওটসের সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের ফল মিশিয়ে নিতে পারেন। এতে শরীর পাবে নানা রকম পুষ্টিগুণ।

রসুনের ছোট অভ্যাস, বড় উপকার

রোজ দুপুরে খাবার শুরু করার আগে এক কোয়া কাঁচা রসুন খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন। চিকিৎসকদের মতে, নিয়মিত রসুন খেলে অনেকের ক্ষেত্রেই কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। পাশাপাশি রসুন শরীর সুস্থ রাখতেও নানাভাবে সাহায্য করে।

গ্রিন টি রাখুন দৈনন্দিন রুটিনে

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে পলিফেনল ও ফ্লেভোনলস অত্যন্ত কার্যকর। এই দুই উপাদানই প্রচুর পরিমাণে রয়েছে গ্রিন টি-তে। প্রতিদিন নিয়ম করে এক কাপ গ্রিন টি পান করলে কোলেস্টেরলের মাত্রা অনেকটাই কমতে পারে।

স্ট্রবেরির নিয়মিত ব্যবহার

এখন শীতকাল ছাড়াও অন্যান্য সময় স্ট্রবেরি সহজেই পাওয়া যায়। বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গেছে, কেউ যদি টানা এক মাস প্রতিদিন একটি করে স্ট্রবেরি খান, তাহলে তার কোলেস্টেরলের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমতে পারে। কোলেস্টেরল নিয়ে যদি দুশ্চিন্তা থাকে, তাহলে প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় এই ফলটি রাখতেই পারেন।

পরিবারে কোলেস্টেরলের ইতিহাস থাকলে আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং এখন থেকেই সচেতন খাদ্যাভ্যাস ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনই হতে পারে নিরাপদ ভবিষ্যতের চাবিকাঠি।

সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow