পরীক্ষা না দিয়েও ফাজিল পাস, কেন্দ্র বাতিলের দাবি

জামালপুরের বকশীগঞ্জে পরীক্ষা না দিয়েই ফাজিল পাস করেছেন মোস্তাকিম বিল্লাহ নামে এক শিক্ষার্থী। বিষয়টি বেশ সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। এ ঘটনায় বাট্টাজোর পরীক্ষা কেন্দ্র বাতিলের দাবি উঠেছে।  অভিযোগের তীর বাট্টাজোর কেরামতিয়া রিয়াজুল ইসলাম কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ কেন্দ্র সুপার সুলতান মাহমুদ খসরুর বিরুদ্ধে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে এ ঘটনার জন্য তিনি ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে দায়ী করেছেন। ইতোমধ্যে ওই পরীক্ষার্থীর ব্যক্তিগত ও পরীক্ষা সংক্রান্ত কাগজপত্র তলব করেছে বিশ্ববিদ্যালয়।  বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী পরিচালক ইয়াসিন আলী। শিক্ষার্থী মোস্তাকিম বাট্টাজোড় ইউনিয়নের ফুলদহপাড়া গ্রামের মঞ্জুরুল হকের ছেলে ও কেরামতিয়া রিয়াজুল ইসলাম মাদরাসার শিক্ষার্থী। জানা গেছে, ২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর ফাজিল (ইসলামিক স্টাডিজ) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সেসময় দেশের বাইরে থাকায় পরীক্ষা দিতে পারেননি মোস্তাকিম। অথচ প্রকাশিত ফলাফলে তিনি জিপিএ ৩.২৫ পেয়েছেন। বিষয়টি জানাজানি হলে অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে বাট্টাজোড় কেরামতিয়া রিয়াজুল ইসলাম কামিল মাদরাসা পরীক্ষা কেন্দ্র বাতিলের দাবি উঠে। তবে মাদ্রা

পরীক্ষা না দিয়েও ফাজিল পাস, কেন্দ্র বাতিলের দাবি
জামালপুরের বকশীগঞ্জে পরীক্ষা না দিয়েই ফাজিল পাস করেছেন মোস্তাকিম বিল্লাহ নামে এক শিক্ষার্থী। বিষয়টি বেশ সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। এ ঘটনায় বাট্টাজোর পরীক্ষা কেন্দ্র বাতিলের দাবি উঠেছে।  অভিযোগের তীর বাট্টাজোর কেরামতিয়া রিয়াজুল ইসলাম কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ কেন্দ্র সুপার সুলতান মাহমুদ খসরুর বিরুদ্ধে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে এ ঘটনার জন্য তিনি ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে দায়ী করেছেন। ইতোমধ্যে ওই পরীক্ষার্থীর ব্যক্তিগত ও পরীক্ষা সংক্রান্ত কাগজপত্র তলব করেছে বিশ্ববিদ্যালয়।  বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী পরিচালক ইয়াসিন আলী। শিক্ষার্থী মোস্তাকিম বাট্টাজোড় ইউনিয়নের ফুলদহপাড়া গ্রামের মঞ্জুরুল হকের ছেলে ও কেরামতিয়া রিয়াজুল ইসলাম মাদরাসার শিক্ষার্থী। জানা গেছে, ২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর ফাজিল (ইসলামিক স্টাডিজ) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সেসময় দেশের বাইরে থাকায় পরীক্ষা দিতে পারেননি মোস্তাকিম। অথচ প্রকাশিত ফলাফলে তিনি জিপিএ ৩.২৫ পেয়েছেন। বিষয়টি জানাজানি হলে অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে বাট্টাজোড় কেরামতিয়া রিয়াজুল ইসলাম কামিল মাদরাসা পরীক্ষা কেন্দ্র বাতিলের দাবি উঠে। তবে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ নিজেদের এড়িয়ে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করে। বিষয়টি আমলে নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এ ব্যাপারে জানতে শিক্ষার্থী মোস্তাকিম বিল্লাহর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি।  বাট্টাজোড় কেরামতিয়া রিয়াজুল ইসলাম কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মো. সুলতান মাহমুদ খসরু বলেন, পরীক্ষার সময় মোস্তাকিম বিল্লাহ সৌদি আরবে ছিলেন। বিদেশে থাকায় তিনি পরীক্ষায় অংশ নেননি। কিন্তু ফলাফলে কিভাবে পাশ এসছে সে বিষয়ে আমি অবগত নই। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন করতে বলেছেন। নির্দেশনা অনুযায়ী ১২ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠানো হবে। এরপর কর্তৃপক্ষ যে সিদ্ধান্ত দেবে সে মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বকশীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ উল হাসান বলেন, ‘এ ঘটনার দায় মাদ্রাসার অধ্যক্ষ কোনোভাবেই এড়াতে পারেন না। তিনি যদি পরীক্ষার খাতা বোর্ডে না পাঠাতেন তাহলে রেজাল্ট আসলো কী করে। অনিয়ম যা হওয়ার তা মাদ্রাসা থেকেই হয়েছে। তাই পরীক্ষা কেন্দ্রটি বাতিল করে দেওয়া উচিৎ।’  এ ব্যাপারে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ইয়াসিন আলী জানান, মাদরাসা কর্তৃপক্ষের কাছে পরীক্ষার্থীর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তলব করা হয়েছে। সবকিছু যাচাই-বাছাই শেষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow