পরীক্ষার্থীরা হাসিমুখে কেন্দ্রে আসবে, হাসিমুখেই বের হবে: শিক্ষামন্ত্রী

  শিক্ষার্থীদের পরীক্ষাভীতি দূর করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। এ কারণে এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ‌‘পরীক্ষার্থীবান্ধব’ হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, ছাত্র-ছাত্রীদের মন থেকে পরীক্ষাভীতি দূর করাই সরকারের লক্ষ্য। অভিভাবকদের বলবো সন্তানদের নিয়ে অকারণে আতঙ্কিত না হয়ে তাদের পাশে থাকবেন। এবার পরীক্ষার কেন্দ্রগুলোতে সহনশীল ও পরীক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। মন্ত্রী বলেন, আমরা চাই পরীক্ষার্থীরা বিনা টেনশনে হাসিমুখে পরীক্ষাকেন্দ্রে আসবে, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উত্তরপত্রে লিখবে এবং হাসিমুখে পরীক্ষাকেন্দ্র ত্যাগ করবে। আরও পড়ুন: এসএসসি পরীক্ষার্থী ১৮ লাখ ৫৭ হাজার, পরীক্ষা শুরু মঙ্গলবার সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা অবহিত আছি যে, এবারের এসএসসি ব্যাচ করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে প্রাথমিক ও জুনিয়র উভয় বৃত্তি পরীক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। ফলে এসএসসি পরীক্ষাই তাদের জীবনের প্রথম

পরীক্ষার্থীরা হাসিমুখে কেন্দ্রে আসবে, হাসিমুখেই বের হবে: শিক্ষামন্ত্রী

 

শিক্ষার্থীদের পরীক্ষাভীতি দূর করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। এ কারণে এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ‌‘পরীক্ষার্থীবান্ধব’ হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি বলেন, ছাত্র-ছাত্রীদের মন থেকে পরীক্ষাভীতি দূর করাই সরকারের লক্ষ্য। অভিভাবকদের বলবো সন্তানদের নিয়ে অকারণে আতঙ্কিত না হয়ে তাদের পাশে থাকবেন। এবার পরীক্ষার কেন্দ্রগুলোতে সহনশীল ও পরীক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, আমরা চাই পরীক্ষার্থীরা বিনা টেনশনে হাসিমুখে পরীক্ষাকেন্দ্রে আসবে, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উত্তরপত্রে লিখবে এবং হাসিমুখে পরীক্ষাকেন্দ্র ত্যাগ করবে।

আরও পড়ুন:

এসএসসি পরীক্ষার্থী ১৮ লাখ ৫৭ হাজার, পরীক্ষা শুরু মঙ্গলবার

সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা অবহিত আছি যে, এবারের এসএসসি ব্যাচ করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে প্রাথমিক ও জুনিয়র উভয় বৃত্তি পরীক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। ফলে এসএসসি পরীক্ষাই তাদের জীবনের প্রথম ও পূর্ণ সিলেবাসের পাবলিক পরীক্ষা। এ কারণে পরীক্ষার হল যেন পরীক্ষার্থীবান্ধব থাকে, সেটা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারই এবারের প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করে গেছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রশ্নপত্রের কোনো অংশে দুর্বোধ্যতা থাকলে তা নিরসনে সহায়তা করা হবে। উত্তরপত্র মূল্যায়নের ক্ষেত্রেও অহেতুক কঠোরতা আমাদের লক্ষ্য নয়। কোনো পরীক্ষার্থী যেন তার প্রাপ্য মূল্যায়ন থেকে সামান্যতম বঞ্চিত না হয়, সেটা নিশ্চিত করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহদী আমিন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দীন আল মাহমুদ সোহেল প্রমুখ।

এএএইচ/এসএনআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow