পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও পদোন্নতি নেই, হতাশ ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা

বাংলাদেশ পুলিশের ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত সহকারী টাউন সাব-ইন্সপেক্টর (এটিএসআই) ও টাউন সাব-ইন্সপেক্টর (টিএসআই) পদমর্যাদার সদস্যদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতি না হওয়ায় চরম হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরও পদোন্নতি না পাওয়ায় তাদের প্রতি বৈষম্য করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। ২০২৪-২৫ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, নায়েক থেকে এএসআই (সশস্ত্র) এবং কনস্টেবল বা নায়েক থেকে এএসআই (নিরস্ত্র) পদে প্রায় শতভাগ পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। অথচ একই সময়ে এটিএসআই পদে ৫৫৯ জন এবং টিএসআই পদে ৬০ জন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও তাদের কাউকেই পদোন্নতি দেওয়া হয়নি। তথ্যমতে, বর্তমানে মাত্র ১১ জন এটিএসআই এবং ৫ জন টিএসআই কর্মকর্তার জন্য ক্লিয়ারেন্স চাওয়া হয়েছে, যা মোট উত্তীর্ণ সদস্যদের তুলনায় খুবই সামান্য। এ কারণে পদোন্নতি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে অসন্তোষ আরও বেড়েছে। সূত্রমতে, ২০২০ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে এটিএসআই পদকে ‘সহকারী সার্জেন্ট’ এবং টিএসআই পদকে ‘সার্জেন্ট’ হিসেবে নামকরণের একটি প্রস্তাব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। স্বরাষ্ট্র, অর্থ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় প্রস্তাবটিতে অনুমোদন দিল

পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও পদোন্নতি নেই, হতাশ ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা
বাংলাদেশ পুলিশের ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত সহকারী টাউন সাব-ইন্সপেক্টর (এটিএসআই) ও টাউন সাব-ইন্সপেক্টর (টিএসআই) পদমর্যাদার সদস্যদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতি না হওয়ায় চরম হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরও পদোন্নতি না পাওয়ায় তাদের প্রতি বৈষম্য করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। ২০২৪-২৫ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, নায়েক থেকে এএসআই (সশস্ত্র) এবং কনস্টেবল বা নায়েক থেকে এএসআই (নিরস্ত্র) পদে প্রায় শতভাগ পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। অথচ একই সময়ে এটিএসআই পদে ৫৫৯ জন এবং টিএসআই পদে ৬০ জন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও তাদের কাউকেই পদোন্নতি দেওয়া হয়নি। তথ্যমতে, বর্তমানে মাত্র ১১ জন এটিএসআই এবং ৫ জন টিএসআই কর্মকর্তার জন্য ক্লিয়ারেন্স চাওয়া হয়েছে, যা মোট উত্তীর্ণ সদস্যদের তুলনায় খুবই সামান্য। এ কারণে পদোন্নতি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে অসন্তোষ আরও বেড়েছে। সূত্রমতে, ২০২০ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে এটিএসআই পদকে ‘সহকারী সার্জেন্ট’ এবং টিএসআই পদকে ‘সার্জেন্ট’ হিসেবে নামকরণের একটি প্রস্তাব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। স্বরাষ্ট্র, অর্থ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় প্রস্তাবটিতে অনুমোদন দিলেও পরবর্তীতে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের একটি শাখার আপত্তির কারণে সচিব কমিটির বৈঠকে বিষয়টি সাময়িকভাবে স্থগিত হয়ে যায়। ফলে প্রস্তাবটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। এটিএসআই ও টিএসআই পদমর্যাদার সদস্যদের অভিযোগ, ট্রাফিক বিভাগে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তারা অনেক সময় টিআই ও সার্জেন্টদের কাছ থেকে বৈষম্যমূলক আচরণের শিকার হন। অনেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাও এসব পদ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা না রাখায় তারা নিজেদের ‘অভিভাবকহীন’ মনে করছেন বলে দাবি করেন। বর্তমানে প্রায় ৪৪৭ জন টিএসআই এবং ২ হাজার ৮ জন এটিএসআই এই পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে বিএনপি সরকারের আমলে এটিএসআই পদে নিয়মিত পদোন্নতি দেওয়া হতো এবং শূন্যপদ না থাকলে তাদের এএসআই (নিরস্ত্র) পদেও পদোন্নতির সুযোগ ছিল। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য তারা টিএসআই ও সার্জেন্ট পদ সমন্বয় করে নতুন পদনাম নির্ধারণ, সার্জেন্ট পদে ৭০ শতাংশ সরাসরি নিয়োগ ও ৩০ শতাংশ পদোন্নতির কোটা নির্ধারণ এবং পদমর্যাদা অনুযায়ী শূন্যপদ সৃষ্টি করে পদোন্নতির জটিলতা নিরসনের দাবি জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow