পরীক্ষায় ফেল করায় স্ট্রোক করেছিলেন পলাশের মা

বর্তমান সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল হক পলাশ। ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ ধারাবাহিক নাটকের কাবিলা চরিত্রটি তাকে নিয়ে গিয়েছে খ্যাতির শীর্ষে। তবে জীবনের শুরুর দিকটা খুব একটা মসৃণ ছিল না বলে সরাসরি জানান এই অভিনেতা। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন রিয়্যালিটি শোর মঞ্চে নিজের জীবনের অজানা কথা শেয়ার করেছেন তিনি। পলাশ জানান তার জীবনের পুরো গল্পটা বাদ পড়ার গল্প। ২০০৯ সালে তিনি এসএসসি পরীক্ষা দেন এবং সেবার তিনিই একমাত্র অকৃতকার্য হয়েছিলেন। এই একটি ঘটনাই তার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয় এক করুণ পরিণতির দিকে। পলাশ জানান রাজধানী ঢাকার গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাইস্কুলে তিন হাজার পরীক্ষার্থীর মধ্যে মেধা তালিকায় তৃতীয় হয়ে ভর্তি হয়েছিলেন। সেই ছেলের অকৃতকার্য হওয়ার খবর সহ্য করতে পারেননি তার মা। ছেলের রেজাল্ট শুনেই ব্রেইন স্ট্রোক করেন তার মা এবং টানা চার বছর ছিলেন কোমায়। সেই ভয়াবহ দিনগুলোর কথা মনে করে পলাশ আক্ষেপ করে বলেন এই ঘটনার পর স্কুলের বন্ধুদের থেকে তিনি অনেক দূরে সরে যান। পরের বছর কলেজে উঠলেও নিয়মিত ছিলেন না কারণ কলেজের সঙ্গে নিজেকে মানাতে পারছিলেন না। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সময়ও ভালো ফলাফল করতে পারেননি তব

পরীক্ষায় ফেল করায় স্ট্রোক করেছিলেন পলাশের মা

বর্তমান সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল হক পলাশ। ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ ধারাবাহিক নাটকের কাবিলা চরিত্রটি তাকে নিয়ে গিয়েছে খ্যাতির শীর্ষে। তবে জীবনের শুরুর দিকটা খুব একটা মসৃণ ছিল না বলে সরাসরি জানান এই অভিনেতা।

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন রিয়্যালিটি শোর মঞ্চে নিজের জীবনের অজানা কথা শেয়ার করেছেন তিনি। পলাশ জানান তার জীবনের পুরো গল্পটা বাদ পড়ার গল্প। ২০০৯ সালে তিনি এসএসসি পরীক্ষা দেন এবং সেবার তিনিই একমাত্র অকৃতকার্য হয়েছিলেন। এই একটি ঘটনাই তার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয় এক করুণ পরিণতির দিকে।

পলাশ জানান রাজধানী ঢাকার গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাইস্কুলে তিন হাজার পরীক্ষার্থীর মধ্যে মেধা তালিকায় তৃতীয় হয়ে ভর্তি হয়েছিলেন। সেই ছেলের অকৃতকার্য হওয়ার খবর সহ্য করতে পারেননি তার মা। ছেলের রেজাল্ট শুনেই ব্রেইন স্ট্রোক করেন তার মা এবং টানা চার বছর ছিলেন কোমায়। সেই ভয়াবহ দিনগুলোর কথা মনে করে পলাশ আক্ষেপ করে বলেন এই ঘটনার পর স্কুলের বন্ধুদের থেকে তিনি অনেক দূরে সরে যান। পরের বছর কলেজে উঠলেও নিয়মিত ছিলেন না কারণ কলেজের সঙ্গে নিজেকে মানাতে পারছিলেন না।

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সময়ও ভালো ফলাফল করতে পারেননি তবে দমে যাননি তিনি। পরবর্তীতে তিতুমীর কলেজ থেকে শিক্ষাজীবন শেষ করে যুক্ত হন নির্মাণের সঙ্গে। প্রখ্যাত নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর সহকারী হিসেবে শুরু হয় তার কর্মজীবন এবং কর্মজীবনে প্রবেশ করে অনেক জায়গা থেকে বারবার বাদ পড়েছেন তিনি।

বিচারকের আসনে বসে তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে পলাশ বলেন তিনি মনে করেন বাদ পড়ে যাওয়া মানেই জীবনের শেষ নয়। স্কুলজীবনেই যদি সব শেষ মনে করতেন তাহলে আজকে তিনি বিচারকের আসনে থাকতেন না বলে সরাসরি জানান এই অভিনেতা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow