পর্দা নিয়ে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্যের অধিকার কারও নেই : আহমদ আবদুল কাইয়ূম

সংসদে নারীর পোশাক নিয়ে বিএনপির এমপি মনিরুল হক চৌধুরীর করা বক্তব্য অনভিপ্রেত ও অসম্মানজনক বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সহকারী মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম। তিনি বলেছেন, ‘ইসলামের অন্যতম বিধান পর্দা নিয়ে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করার এখতিয়ার কাউকে দেওয়া হয়নি। হিজাব, নিকাব ও বোরকা ইসলামের বিধান এবং বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মীয় পরিচয়, সংস্কৃতি ও মর্যাদাবোধের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ইসলামের বিধি-বিধান নিয়ে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য কোনোভাবেই সমর্থন করা যায় না।’ সোমবার (১৫ জুন) রাতে রাজধানীর পুরানা পল্টনস্থ আইএবি মিলনায়তনে আয়োজিত থানা ও ওয়ার্ড তৃণমূল দায়িত্বশীল মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের পল্টন থানা শাখার উদ্যোগে এ সভা আয়োজিত হয়। মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম বলেন, এর আগেও দলটির একজন নারী সংসদ সদস্য জাকাত নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করে ধর্মীয় অঙ্গনকে উত্তপ্ত করেছিলেন। ইসলামের বিধি-বিধান নিয়ে ধারাবাহিক এ ধরনের মন্তব্য ইসলামের বিরুদ্ধে চরম আঘাত। মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়ে অব

পর্দা নিয়ে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্যের অধিকার কারও নেই : আহমদ আবদুল কাইয়ূম
সংসদে নারীর পোশাক নিয়ে বিএনপির এমপি মনিরুল হক চৌধুরীর করা বক্তব্য অনভিপ্রেত ও অসম্মানজনক বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সহকারী মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম। তিনি বলেছেন, ‘ইসলামের অন্যতম বিধান পর্দা নিয়ে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করার এখতিয়ার কাউকে দেওয়া হয়নি। হিজাব, নিকাব ও বোরকা ইসলামের বিধান এবং বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মীয় পরিচয়, সংস্কৃতি ও মর্যাদাবোধের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ইসলামের বিধি-বিধান নিয়ে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য কোনোভাবেই সমর্থন করা যায় না।’ সোমবার (১৫ জুন) রাতে রাজধানীর পুরানা পল্টনস্থ আইএবি মিলনায়তনে আয়োজিত থানা ও ওয়ার্ড তৃণমূল দায়িত্বশীল মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের পল্টন থানা শাখার উদ্যোগে এ সভা আয়োজিত হয়। মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম বলেন, এর আগেও দলটির একজন নারী সংসদ সদস্য জাকাত নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করে ধর্মীয় অঙ্গনকে উত্তপ্ত করেছিলেন। ইসলামের বিধি-বিধান নিয়ে ধারাবাহিক এ ধরনের মন্তব্য ইসলামের বিরুদ্ধে চরম আঘাত। মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান তিনি। ইসলামী আন্দোলনের এ নেতা আরও বলেন, একজন সংসদ সদস্যের মুখ থেকে এ ধরনের বিদ্রূপাত্মক ও অশোভন মন্তব্য অত্যন্ত দুঃখজনক এবং দায়িত্বশীল আচরণের পরিপন্থি। নারীর ধর্মীয় পোশাককে উপহাসের বিষয় বানানো সভ্য ও শালীন রাজনৈতিক সংস্কৃতির সঙ্গে মানানসই নয়। বোরকা ও হিজাব মুসলিম নারীদের ধর্মীয় বিশ্বাস ও ব্যক্তিগত অধিকার। এ নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ শুধু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নয়, ধর্মীয় মূল্যবোধে বিশ্বাসী কোটি মানুষের অনুভূতিতেও আঘাত হানে। পল্টন থানা সভাপতি আলহাজ কবির হোসেন খোকনের সভাপতিত্বে এবং থানা জয়েন্ট সেক্রেটারি মাওলানা ফয়েজ আহমদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় শিক্ষা ও সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা-৮ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য প্রার্থী মুফতি কেফায়েতুল্লাহ কাশফী এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ছাত্র ও যুববিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মনির হোসেন। এছাড়া বক্তব্য দেন পল্টন থানা বায়তুলমাল সম্পাদক আলহাজ মমিনুল হোসাইন, মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন, শ্রমিকনেতা মোহাম্মদ মহারাজ ফরাজি, যুবনেতা আকাশ হাওলাদার ও ছাত্রনেতা মুহাম্মদ সিফাতুল্লাহ বিন হাবিব।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow