পর্যটকদের ভিসামুক্ত থাকার মেয়াদ কমাতে যাচ্ছে থাইল্যান্ড
বিদেশি নাগরিকদের জড়িত বিভিন্ন অপরাধ দমনে পর্যটকদের জন্য ভিসামুক্ত থাকার সময়সীমা কমানোর পরিকল্পনা করছে থাইল্যান্ড। প্রস্তাবটি কার্যকর হলে ইউরোপসহ ৯০টিরও বেশি দেশের নাগরিকরা বর্তমানে ৬০ দিনের পরিবর্তে সর্বোচ্চ ৩০ দিন ভিসা ছাড়াই দেশটিতে থাকতে পারবেন। সাম্প্রতিক সময়ে মাদক পাচার, মানবপাচার, যৌন অপরাধ এবং প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়াই বিদেশিদের ব্যবসা পরিচালনার মতো ঘটনার সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় সরকার এই সিদ্ধান্ত বিবেচনা করছে। তবে পর্যটন খাত দেশটির অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে সতর্কভাবে এগোচ্ছে কর্তৃপক্ষ। ২০২৫ সালের মার্চে পর্যটক আকর্ষণ বাড়াতে ভিসামুক্ত থাকার মেয়াদ ৩০ দিন থেকে বাড়িয়ে ৬০ দিন করা হয়েছিল। কিন্তু নতুন পরিকল্পনায় সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার ইঙ্গিত মিলেছে। যদিও এখনো চূড়ান্ত ঘোষণা আসেনি, তবে বিভিন্ন দেশের জন্য আলাদা নীতি নেওয়া হতে পারে। অন্য দেশের নাগরিকরা ৩০ দিন, আবার কেউ কেউ মাত্র ১৫ দিন পর্যন্ত ভিসামুক্ত থাকার সুযোগ পেতে পারেন। বার্তা সংস্থা এএফপির তথ্য অনুযায়ী, থাইল্যান্ডের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১০ শতাংশেরও বেশি আসে পর্যটন খাত থেকে। তবু দেশটির পর্যটন এখনো
বিদেশি নাগরিকদের জড়িত বিভিন্ন অপরাধ দমনে পর্যটকদের জন্য ভিসামুক্ত থাকার সময়সীমা কমানোর পরিকল্পনা করছে থাইল্যান্ড। প্রস্তাবটি কার্যকর হলে ইউরোপসহ ৯০টিরও বেশি দেশের নাগরিকরা বর্তমানে ৬০ দিনের পরিবর্তে সর্বোচ্চ ৩০ দিন ভিসা ছাড়াই দেশটিতে থাকতে পারবেন।
সাম্প্রতিক সময়ে মাদক পাচার, মানবপাচার, যৌন অপরাধ এবং প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়াই বিদেশিদের ব্যবসা পরিচালনার মতো ঘটনার সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় সরকার এই সিদ্ধান্ত বিবেচনা করছে। তবে পর্যটন খাত দেশটির অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে সতর্কভাবে এগোচ্ছে কর্তৃপক্ষ।
২০২৫ সালের মার্চে পর্যটক আকর্ষণ বাড়াতে ভিসামুক্ত থাকার মেয়াদ ৩০ দিন থেকে বাড়িয়ে ৬০ দিন করা হয়েছিল। কিন্তু নতুন পরিকল্পনায় সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার ইঙ্গিত মিলেছে।
যদিও এখনো চূড়ান্ত ঘোষণা আসেনি, তবে বিভিন্ন দেশের জন্য আলাদা নীতি নেওয়া হতে পারে। অন্য দেশের নাগরিকরা ৩০ দিন, আবার কেউ কেউ মাত্র ১৫ দিন পর্যন্ত ভিসামুক্ত থাকার সুযোগ পেতে পারেন।
বার্তা সংস্থা এএফপির তথ্য অনুযায়ী, থাইল্যান্ডের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১০ শতাংশেরও বেশি আসে পর্যটন খাত থেকে। তবু দেশটির পর্যটন এখনো করোনা মহামারির আগের অবস্থায় পুরোপুরি ফিরতে পারেনি।
থাই পর্যটন মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৩ দশমিক ৪ শতাংশ কমেছে। একই সময়ে মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত পর্যটকের সংখ্যা প্রায় এক-তৃতীয়াংশ হ্রাস পেয়েছে।
তবে সরকার আশা করছে, চলতি বছর প্রায় ৩ কোটি ৩৫ লাখ বিদেশি পর্যটক থাইল্যান্ড ভ্রমণ করবেন, যা গত বছরের প্রায় ৩ কোটি ৩০ লাখের তুলনায় কিছুটা বেশি।
নতুন নিয়ম কার্যকর হলে পর্যটকরা ৩০ দিনের ভিসামুক্ত অবস্থান শেষে অতিরিক্ত ৩০ দিন থাকার জন্য আবেদন করতে পারবেন। এ জন্য ১ হাজার ৯০০ থাই বাত (প্রায় ৫০ ইউরো) ফি দিতে হবে।
এ ছাড়া দীর্ঘ সময় থাকতে আগ্রহীদের জন্য রয়েছে ‘ডেস্টিনেশন থাইল্যান্ড ভিসা (ডিটিভি)’। পাঁচ বছর মেয়াদি এই বহুবার প্রবেশের ভিসাটি মূলত ডিজিটাল নোম্যাড, দূরবর্তী কর্মী এবং মুয়াই থাই বা থাই রান্নার মতো সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারীদের জন্য চালু করা হয়েছে। এই ভিসায় একবারে সর্বোচ্চ ১৮০ দিন থাকা যায় এবং বিশেষ ক্ষেত্রে আরও ১৮০ দিন মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। তবে আবেদনকারীদের ব্যাংক হিসাবে অন্তত ৫ লাখ থাই বাত এবং দূরবর্তী কর্মীদের ক্ষেত্রে বিদেশি প্রতিষ্ঠানে চাকরির প্রমাণ দেখাতে হয়।
What's Your Reaction?